তুরস্ক ও মিশর শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঘোষণা করেছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে গাজা ‘শান্তির বোর্ডে’ যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।এই বোর্ড গাজার অস্থায়ী শাসনব্যবস্থা তত্ত্বাবধান করবে। শুক্রবার হোয়াইট হাউস জানায়, তারা ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য একটি নির্বাহী প্যানেল গঠন করেছে, যার মধ্যে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশ্বব্যাংকের সভাপতি অজয় বাঙ্গা, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। আরও পড়ুন:ট্রাম্পের গাজা ‘শান্তি বোর্ড’: ব্লেয়ার-কুশনারসহ আর কারা আছেন তালিকায় এই প্যানেলটি শাসন ও আঞ্চলিক কূটনীতি থেকে শুরু করে অর্থায়ন এবং বিনিয়োগ সংহতকরণ পর্যন্ত বিভিন্ন পোর্টফোলিও তত্ত্বাবধান করবে। শনিবার, তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছে, যেখানে এরদোয়ানকে প্যানেলে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।এদিকে, মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, ট্রাম্পের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পৃথকভাবে, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ব্লেয়ার শনিবার বলেন, গাজা পুনর্নির্মাণে সাহায্য করার জন্য ট্রাম্পের নিয়োগ পেয়ে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন। তিনি বলেছেন, ‘শান্তি বোর্ড প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বের জন্য আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানাই এবং এর নির্বাহী বোর্ডে নিযুক্ত হতে পেরে আমি সম্মানিত।’হোয়াইট হাউসের বিবৃতি অনুসারে, বৃহত্তর ‘শান্তি বোর্ড’ গাজার সংঘাত থেকে উন্নয়নে রূপান্তরের সময় কৌশলগত তত্ত্বাবধান, আন্তর্জাতিক সম্পদের সমন্বয় এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। আরও পড়ুন:ইরান ট্রাম্পকে ‘ক্রিমিনাল’ মনে করে: খামেনিএছাড়া যুক্তরাষ্ট্র একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন করার এবং অন্তর্বর্তীকালীন কাঠামোর অধীনে গাজায় শাসন, নিরাপত্তা এবং পুনর্গঠন প্রচেষ্টার সমন্বয় সাধনের জন্য একজন উচ্চ প্রতিনিধি নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। সূত্র: ডন