লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যবহার হবে না আমি নিশ্চিত করছি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যরা কোনো প্রার্থী বা এজেন্টের কাছ থেকে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করবে না। একইসাথে কোনো প্রার্থীর প্রতিনিধির কাছ থেকে খাবারও গ্রহণ করতে পারবে না। দায়িত্বে থাকা দেড় লাখ পুলিশ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিলে দেশের ইতিহাসে এটি হবে সবচেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন।রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ৪১ তম ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনকালীন সময়ে ব্যবহার হবে না এটি আমি নিশ্চিত করছি। প্রতিবেশী দেশের সীমান্তগুলো থেকে অস্ত্র আসলেও সেগুলো উদ্ধার করা হচ্ছে। জঙ্গি ও চরমপন্থি আগের তুলনায় অনেক কমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ এখন নাই বললেই চলে। ফ্যাসিস্ট জঙ্গি রয়েছে তবে তারা অন্যান্য দেশে অবস্থান করছে। এসব ফ্যাসিস্ট জঙ্গিকে গুলোকে ফেরত এনে আইনের মুখোমুখি করা হবে। আরও পড়ুন: দেশের বাইরে থেকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হলে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এই অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম ও পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত আইজিপি তওফিক মাহবুব চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। কুচকাওয়াজে ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৮৭ জন, ২৮তম বিসিএস এর ১ জন, ৩৫তম বিসিএস এর ৩ জন, ৩৬তম বিসিএস এর ১ জন, ৩৭তম বিসিএস এর ২ জন এবং ৪০ তম বিসিএস এর ২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। এবার বেস্ট প্রবেশনার হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পান সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী আরিফ, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ সহকারী পুলিশ সুপার সজীব হোসেন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ  সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ এবং বেস্ট শ্যুটার হয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার সালমান ফারুক। আরও পড়ুন: হাদি হত্যার বিচার চেয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তাদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।২০২৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ৪১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের ৯৬ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করলেন। তারা বিভিন্ন জেলায় ছয় মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য পদায়িত হবেন।