জোটে ফেরা সম্ভব নয় ইসলামী আন্দোলনের, আসন বাড়ানোর আশায় এনসিপি

জোটে ফেরার আর কোনো সম্ভাবনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। এককভাবে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ থাকলেও নিজেদের পরীক্ষা করে নিতে চায় দলটি। যদিও দলটিকে জোটে ফেরাতে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার কথা বলছে জামায়াত। তবে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে গেলে আরও আসন পেতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।নানা নাটকীয়তার মধ্যে দিয়ে ১৬ জানুয়ারি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ১৬৮ আসনে নির্বাচন করার কথা জানায় দলটি। এরপরই জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আহসান মাহবুব জুবায়ের জানান ইসলামী আন্দোলনকে ফেরাতে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা এখনও চলমান। তিনি বলেন, ‘১১ দলের সমঝোতায় চূড়ান্ত হওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসনগুলো এখনও ফাঁকা রয়েছে। এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, শেষ সময় পর্যন্ত তাদের জন্য অপেক্ষা করবে দশ দল। তবে শেষ পর্যন্ত তারা না এলে ফাঁকা রাখা ৪৭টি আসনে প্রার্থী দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করবে দলগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটি।’ তবে সময় সংবাদকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ তারেক সাফ জানিয়ে দেন জোটে ফেরার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। চ্যালেঞ্জ থাকলেও এককভাবেই নির্বাচন করবেন হাতপাখার প্রার্থীরা। ইফতেখার মাহমুদ তারেক বলেন, ‘জোট প্রত্যাহারের পরে আমরা ২৬৮ আসনে হাত পাখা প্রতীকে নির্বাচন করব। সেখানে সমঝোতা নিয়ে আবারও এ জাতীয় কোনো কূপে পা দেয়ার ইচ্ছা দলের নেই। পর্যালোচনার পর মতামত নিয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অতএব আর কোনো সম্ভাবনা দেখি না।’  এদিকে ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দলটি জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা আসনগুলোতে অন্য জোটের দলকে আসন বাড়িয়ে নেয়ার কথা জানান তিনি। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করিনি এমন কিছু হবে। আলোচনার ভিত্তিতে সামনের কর্মপন্থা নির্ধারণ করব আমরা।’ জোটের পক্ষ থেকে ৩০টি আসন দেয়া হলেও ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় অন্তত ৪০টি আসন এনসিপির জন্য বরাদ্দ থাকবে- এমনটাই প্রত্যাশা দলের এই শীর্ষ নেতার।