রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ ওভার শেষে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সংগ্রহ ছিল মাত্র ১১৫। এখান থেকে তারা ১৭০ ছাড়ানো সংগ্রহ পাবে, কে ভেবেছিল! কয়জনই-বা ভেবেছিল এই পর্যায়ে ৫৯ বলে ৬৭ রান করা নবিপুত্র হাসান ইসাখিল সেঞ্চুরি নিয়ে মাঠ ছাড়বেন!ইসাখিল ১০৭ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন। ৭২ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ১১টি ছয় ও ৪টি চারের মারে। দলপতি হায়দার আলী তাকে ৩২ বলে ৪২ রান করে সঙ্গ দেন।ইসাখিল শেষ ওভারে ৪টি লিগ্যাল ডেলিভারিতে নিয়েছেন ২০ রান, ওই ওভারে রান উঠেছে মোট ২৮। ২ উইকেটে নোয়াখালী পেয়েছে পেয়েছে ১৭৩ রানের সংগ্রহ। বড় সংগ্রহই বটে! অথচ প্রথম ১০ ওভার শেষে তারা তুলেছিল মাত্র ৪৭ রান, শেষের ১০ ওভারে ১২৬।আরও পড়ুন: টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগপর্ব শেষ করলো রাজশাহীমিরপুরে হাসান ইসাখিল ও রহমত আলীর জুটিতে পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৩৩ রান তুলে নোয়াখালী। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ১০ বলে ৯ রান করে আউট হন রহমত। ওয়ানডাউনে নামা জাকের আলী ৭ বলে করেন মাত্র ৩। ১০ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৪৭। এই ক্ষতি নোয়াখালী পুষিয়ে নেয় শেষের ১০ ওভারে।আকিফ জাভেদের করা দলীয় ১৫তম ওভারে হায়দার আলীর এক ছক্কা ও এক চারে উঠে ১৬ রান। ১৬ রান উঠে ফাহিম আশরাফের করা ১৯তম ওভারেও। শেষ ওভারে তাণ্ডব চালান ইসাখিল। একটি নো বল করা আকিফ জাভেদকে ৩টি ছক্কা মারেন তিনি, হায়দার আলী হাঁকান একটি চার।