ভারতের উত্তর প্রদশের বেরেলি জেলার একটি গ্রামে ‘অনুমতি ছাড়া’ খালি বাড়িতে নামাজ পড়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। কথিতভাবে ওই বাড়ির ভেতরে নামাজ পড়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানান তারা। খবর এনডিটিভি’র। এসপি (দক্ষিণ) অংশিকা ভার্মা বলেন, মোহাম্মদগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ নেয়। অভিযোগ ছিল, একটি খালি বাড়িতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থায়ীভাবে মাদরাসা চালানো হচ্ছিল। সাধারণ মানুষকে শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া কোনো নতুন ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ আইন লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে। এ ধরনের কাজ পুনরায় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ পুলিশ জানায়, আটক ১২ জনকে ‘শান্তিভঙ্গ সংক্রান্ত ধারায়’ চালান করা হয় এবং পরে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে তারা জামিনে মুক্তি পান। আরও তিনজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলেও জানায় পুলিশ। আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যা বলছে ভারত পুলিশের মতে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে খালি বাড়িটি হানিফ নামে একজনের এবং এটি অস্থায়ীভাবে শুক্রবারের নামাজের (জুমার নামাজ) জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। পুলিশের ভাষ্য, কিছু গ্রামবাসী অনুমতি ছাড়া ওই বাড়িতে নিয়মিত নামাজ পড়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ‘জমায়েত’ বন্ধ করে দেয়। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিকেও তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান কর্মকর্তারা। সূত্র: এনডিটিভি