মিরপুরের উইকেটে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলারদের সামনে এক তানজিদ ছাড়া বাকিরা ছিলেন অসহায়। শাহিবাজাদা ফারহান অবশ্য কিছুটা দেখেশুনে খেলছিলেন, তবে বেশি দূর এগোতে পারেননি। ৯৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে যখন বড় বিপাকে রাজশাহী, ঠিক তখনই নিজের ব্যাটিং কারিশমা দেখালেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। শেষদিকে তার ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে ১৩৩ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর শুরুটা ছিল একটু ধীরগতির। পাওয়ার প্লেতে তারা তুলতে পারে মাত্র ৩৭ রান। আরও পড়ুন: লিটন বলছেন উইকেট ‘আদর্শ না’, ভালো লেগেছে ওকসের কাছে উদ্বোধনী জুটিতে শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম যোগ করেন ৩০ রান। ১৯ বলে ২১ রান করা শাহিবজাদাকে ফেরান তানভীর ইসলাম। দলীয় ৪৯ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন নাজমুল ইসলাম শান্ত। ১১ বলে ৮ রান করে শেখ মেহেদীর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফেরেন রাজশাহী অধিনায়ক। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ফেরেন গোল্ডেন ডাক মেরে। আকবর আলী খেলেন অনেকটা স্লো মোশনে। ১০ বল খেলে মাত্র ৩ রান করে মুকিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দেন তানভীরের হাতে। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলছিলেন তানজিদ তামিম। তবে সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে তিনিও আর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। ৩৭ বলে ৪১ রান করে হাসান নাওয়াজের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। আরও পড়ুন: এটাই ক্রিকেট, এভাবেই চলে জীবন— শেষ বলে ছক্কায় নিদাহাস ট্রফির স্মৃতি মনে করলেন লিটন জেমস নিশামও আউট হয়েছেন দ্রুত। ৯ বলে ৬ রান করা এই কিউই অলরাউন্ডারকে সাজঘরে ফেরান মির্জা বেগ। পরের ওভারে রায়ান বার্লকে সাজঘরের পথ দেখান শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে সাকলাইনকে ফেরান আমের জামাল। ইনিংসের শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে রানআউটে কাটা পড়েন বিনুরা ফার্নান্দো। আর তাতেই ১৩৩ রানে অলআউট হয় রাজশাহী। চট্টগ্রামের হয়ে শেখ মেহেদী ও আমের জামাল নেন ২টি করে উইকেট। এছাড়া শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম, তানভীর ইসলাম, মির্জা বেগ ও হাসান নাওয়াজ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।