ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোটের এনসিপির প্রার্থীকে আসন ছাড় দিলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেননি জামায়াতের প্রার্থী।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে যাওয়ার আগেই জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আমজাদ হোসাইনকে তার বাসায় আটকে দেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা।নেতাকর্মীরা জানান, আসনটিতে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ মো. আমজাদ হোসাইন। জোট গঠনের পর জামায়াত আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ারকে (তুষার) ছেড়ে দেন। এ নিয়ে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে বাসা হতে বের হওয়ার আগেই নির্বাচনী এলাকার বেশ কিছু সংখ্যক কর্মী-সমর্থক মো. আমজাদ হোসাইনের শহরের গাবতলী এলাকার বাসায় হাজির হয়। এসময় তারা মো. আমজাদ হোসাইনকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে নিষেধ ও বাধা দিয়ে গেট তালাবদ্ধ করে দেন। এসময় আসনটি ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত তারা মানেন না বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বাসায় আটকা পড়ার কারণে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে বের হতে পারেননি আমজাদ হোসাইন।আরও পড়ুন: নরসিংদীতে জেল পলাতক আসামিকে কুপিয়ে হত্যাএক পর্যায়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোসলেহুদ্দিন মনোনয়ন প্রত্যাহারের কাগজপত্র নিয়ে সাক্ষর আনতে আমজাদ হোসাইনের বাসায় গেলে উত্তেজিত সমর্থকদের ক্ষোভের মুখে তিনিও ফিরে যান।এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোসলেহুদ্দিন ও সেক্রেটারি মো. আমজাদ হোসাইন সাংবাদিকদের কাছে কোনো প্রকার মন্তব্য করতে রাজি হননি।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে নরসিংদীর ৫টি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন দুইজন। এরমধ্যে রয়েছেন নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ মনোনীত মো. ফারুক ভূইয়া ও নরসিংদী ৩ (শিবপুর) থেকে গণফোরাম মনোনীত জগলুল হায়দার আফ্রিক।