প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।চূড়ান্ত লড়াইয়ে দুই হাজার প্রার্থী - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৯৬৭ প্রার্থী (ইসির প্রাথমিক হিসাব)। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন মঙ্গলবার ৩০৫ প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বিএনপির বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের কয়েকজন নির্বাচন থেকে সরে গেছেন। ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের সমর্থনে শরিক দলগুলোর প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে মাঠে রয়ে গেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ ও সমমনা বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী নেই এ নির্বাচনে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় ২৯৮টি আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়েছে। পুনঃতফসিলের কারণে পাবনা-১ ও ২ আসনের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৬ জানুয়ারি।কাল থেকে মাঠ তাতাবেন প্রার্থীরা - দৈনিক মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষ হচ্ছে অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিক ভোটের প্রচারে নামছেন প্রার্থীরা। আজ থেকে শুরু হচ্ছে মাঠের যুদ্ধ। গতকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অনেক প্রার্থী। বিশেষ করে দুই প্রধান নির্বাচনী জোটের অনেক প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এসব প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় অনেক আসনে এখন এই দুই জোটের একক প্রার্থী মাঠ তাতাবেন। কোনো কোনো আসনে দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীও আছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আজ প্রার্থীদের নামে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আগামীকাল থেকে শুরু হবে প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার। রাত ১২টা থেকেই অনলাইনে প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। মাঠের প্রচার শুরু হবে সকাল থেকে। বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হচ্ছে সিলেট থেকে। রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে ভয়ংকর - দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন গড়ে তোলার বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অনেকটা অসহায়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নব্বইয়ের দশকে সরকারি এসব পাহাড়ে প্রথম হাত দেন সন্ত্রাসী আলী আক্কাস। তাঁর সহযোগী ছিলেন উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা। তার আগে এলাকাটি ছিল নয়নাভিরাম সবুজে আচ্ছাদিত গহিন পাহাড়। ২০০২ সাল থেকে এলাকাটিতে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস বসতি গড়ে তোলেন। সরকারি বিভিন্ন সুবিধা আদায় এবং বৈধতা দাঁড় করাতে ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ নামে একটি সংগঠনও গড়ে তোলেন তিনি। এরপর কথিত বন্দুকযুদ্ধে আলী আক্কাস নিহত হলে এলাকার নিয়ন্ত্রণ একেক সময় একেক জনের হাতে চলে যায়। এখানে প্লট বিক্রি, আবাসন ও চাঁদাবাজির জন্য রাজনৈতিক দলের প্রশ্রয় নিয়ে সন্ত্রাসীরাও জায়গাটি নিজেদের কবজায় রাখতে মরিয়া হয়ে ওঠে। দেখতে দেখতে এখানে প্রায় দেড় লাখ মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে। অস্থিরতায় বিদ্যুৎ খাত, বন্ধের ঝুঁকিতে উৎপাদন - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিদ্যুৎ খাত ঘিরে নীরবে গভীর এক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির শর্ত উপেক্ষা করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিল থেকে পূর্বনির্ধারিত জরিমানা (লিকুইডেটেড ড্যামেজ বা এলডি) কর্তন, চলমান সালিশি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও বিইআরসির নির্দেশনা অমান্য এবং দেশি-বিদেশি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ, বকেয়া বিলসহ সব মিলিয়ে খাতটির স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই সংকট শুধু কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের আর্থিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়ছে ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি আমদানি সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিবেশের ওপরও।