রমজানে দিনভর রোজা রাখার পর ইফতারের মুহূর্তটি এক অনন্য নেয়ামত। সারাদিনের ক্ষুধা-তৃষ্ণা শেষে যখন ইফতারের খাবার সামনে আসে, তখন মুমিনের হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরে ওঠে।হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী কারিম (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ। একটি আনন্দ হচ্ছে যখন সে ইফতার করে। আরেকটি হচ্ছে যখন সে প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭৬৬) অনেকে জানতে চান, ইফতার কখন করা উত্তম? এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, সূর্য ডোবার সাথে-সাথে রোজাদার ইফতার করবেন। আজানের জন্য অপেক্ষা করবেন না। আল্লাহর রসুল (সা.) বলেছেন, সূর্য যখনই অস্ত যাবে, সায়েম (সিয়াম পালনকারী) তখনই ইফতার করবে।’ (বুখারি, হাদিস : ২৯৫৪; মিশকাত, হাদিস : ১৯৮৫) আরও পড়ুন: সেহরি না খেয়ে কি রোজা রাখা যাবে?আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে যে, ‘তিনটি কাজ নবুয়তের আদর্শের অন্তর্ভুক্ত; জলদি ইফতার করা, দেরি করে (শেষ সময়ে) সাহরি খাওয়া এবং নামাজে ডান হাতকে বাম হাতের উপর রাখা।’ (তাবারানি, মু’জাম, মাজমাউয যাওয়ায়েদ : ২/১০৫; সহিহুল জামেইস সাগির, আলবানি; হাদিস : ৩০৩৮) আরেকটি হাদিসে প্রিয়নবী কারিম (সা.) বলেন, ‘ততদিন মানুষ কল্যাণের মধ্যে থাকবে, যতদিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭; মুসলিম, হাদিস : ২৬০৮; আহমাদ, হাদিস : ২২৮২৮)