কোনো ধরনের পাসপোর্ট বা বৈধ নথিপত্র ছাড়াই অবৈধভাবে ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালিতে প্রবেশের দায়ে বাংলাদেশের সাত নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে তাদের দেনপাসার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেনপাসার ইমিগ্রেশন অফিসের প্রধান আর. হার্যো শক্তি এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, গত এক সপ্তাহে পৃথক দুটি অভিযানে ওই সাতজনকে আটক করা হয়। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তাবানান রিজেন্সির কেদিরি এলাকার একটি মসজিদ থেকে স্থানীয় পুলিশ দুই বাংলাদেশিকে আটক করে। তারা সেখানে চার দিন ধরে অবস্থান করছিলেন, কিন্তু কোনো পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় অভিযানে দেনপাসার শহর থেকে একইভাবে আরও পাঁচজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া থেকে অবৈধভাবে দেশে ফেরার চেষ্টা, ৪ বাংলাদেশিসহ আটক ৩৪ আটকদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের পর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, এই সাতজনের কারও কাছেই কোনো পাসপোর্ট, ভিসা বা ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশের আনুষ্ঠানিক রেকর্ড নেই। তারা কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্ট ব্যবহার না করে অবৈধ পথে দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাদের জিম্বারানের ডিটেনশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। আর. হার্যো শক্তি আরও বলেন, ‘এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিষয়। প্রত্যেক বিদেশি নাগরিককে অবশ্যই বৈধ নথি নিয়ে নির্ধারিত পথ দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে হবে। নিয়ম না মানলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার ২০১১ সালের অভিবাসন আইনের ১১৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এই ঘটনা বালির নিরাপত্তা ও বিদেশি পর্যটকদের ওপর নজরদারি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে নজরদারি আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।