ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১৬ টাকা কমলো

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১৫ টাকা ৯০ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রথমবারের মতো গণশুনানির ভিত্তিতে বিইআরসির মাধ্যমে ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ৭০ টাকা ১০ পয়সা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দাম ঘোষণা করা হয়েছে।আজ রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্য গ্রাহকদের কাছে প্রতি লিটার ফার্নেস তেল ৭০ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করবে। এর আগে প্রতি লিটার ৮৬ টাকা দরে বিক্রি করা হতো। আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, নেপথ্যে কী?বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফার্নেস তেল বিপণনে পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (পিওসিএল), মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (এমপিএল), যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (জেওসিএল) এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের (এসএওসিএল) বিপণন চার্জ প্রতি লিটার শূন্য দশমিক ৭১ টাকা এবং সমন্বিত পরিবহন চার্জ প্রতি লিটার এক দশমিক ২০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করে এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস এবং জেটএ-১ তেলের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির ওপর দেয়।বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ডিজেলে। এরপর পরই ফার্নেস তেল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৯১২ টন ফার্নেস বিক্রি হয়েছে বলে বিপিসি জানায়। জানা যায়, মোট বিক্রি করা ফার্নেস অয়েলের মধ্যে ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে পরিশোধনের মাধ্যমে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, অবশিষ্ট ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে। ফার্নেস অয়েলের দাম কমায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।