যুক্তরাষ্ট্রের এত চাপের মুখেও ইরান কেন নতি স্বীকার করছে না—মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কাছে এমন প্রশ্ন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে এমনটা জানিয়েছেন উইটকফ। খবর টাইমস অব ইসরাইলের।সামরিক সংঘাত এড়াতে পরমাণু ইস্যুতে ওমানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। দুই দফার বৈঠক ‘ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ হয়েছে বলে দুই পক্ষের আলোচকরা আভাস দিয়েছেন। তবে তেহরানকে চুক্তিতে বাধ্য করতে আলোচনার মধ্যেও ওয়াশিংটন ইরানে হামলা চালানোর হুমকি জারি রেখেছে। শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে দুটি বিমানবাহী রণতরী, অসংখ্য যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ। চুক্তির জন্য ১০-১৫ দিনের সময়ও বেঁধে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এত চাপের মুখেও নির্ভিক ইরান। ট্রাম্প প্রশাসনের চোখে চোখ রেখে প্রতিটি হুমকির জবাব দিয়ে যাচ্ছেন দেশটির নেতারা। এতে রীতিমতো বিস্মিত হয়েছেন ট্রাম্প। উইটকফের বক্তব্যে যা স্পষ্ট। আরও পড়ুন: চাপের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান স্থানীয় সময় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেন, আজ সকালে প্রেসিডেন্ট আমাকে এ প্রশ্ন করেন— যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উল্লেখযোগ্য নৌ ও সামুদ্রিক শক্তি মোতায়েন করেছে। এরপরও কেন তেহরান এখনও নতি স্বীকার করল না। তার কথায়, ‘আমি ‘হতাশ’ শব্দটা ব্যবহার করতে চাই না, কারণ তিনি জানেন যে, তার হাতে অসংখ্য বিকল্প আছে। কিন্তু তারা কেন, আমি ‘আত্মসমর্পণ’ শব্দটা ব্যবহার করতে চাই না, কেন তারা নতি স্বীকার করেনি সেটা জানতে বেশ আগ্রহী।’ মার্কিন এ বিশেষ দূত আরও বলেন, ‘কেন, এই চাপের মধ্যেও যেখানে বিপুল সামুদ্রিক ও নৌশক্তি সেখানে জড়ো হয়েছে, কেন তারা আমাদের কাছে এসে বলছে না, ‘আমরা কথা দিচ্ছি আমরা অস্ত্র চাই না, সে কারণে এটা এটা করতে আমরা প্রস্তুত’? তবে তাদেরকে সে অবস্থায় নিয়ে যাওয়াটা বেশ কঠিন।’ আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান