প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। চমকানো তথ্য দিলেন রাষ্ট্রপতি - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ যেন এক প্রাসাদবন্দি রাষ্ট্রপতির রোমহর্ষক গল্প। টানা দেড় বছরের সেই বন্দিদশা আর নেই। আর সেই স্বস্তিতেই রুদ্ধকালের ঘটনাপঞ্জি প্রাণখুলে তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে তার একান্ত সাক্ষাৎকার নিয়েছে কালের কণ্ঠ। সাক্ষাৎকারটিই সংবাদ আকারে প্রকাশ করেছে দৈনিক পত্রিকাটি।প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করছে সরকার - দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এরই মধ্যে বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ দুই পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। গতকাল রোববার সেনাবাহিনীর আটটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তন আনা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ জ্যেষ্ঠ পদগুলোতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বেসামরিক প্রশাসনেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনবে। তবে একবারে নয়, পর্যায়ক্রমে রদবদল করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া অনেক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হবে ঈদের পর - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সরকারি সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ঢালাওভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। সে সময়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বড় অংশ এখনো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দফতরপ্রধান হিসেবে কর্মরত। তবে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল হবে বলে জানা গেছে। এছাড়া চুক্তিভিত্তিক অনেক কর্মকর্তার মেয়াদ শেষের দিকে। অনেকে আবার নিজেই পদ থেকে সরে যাচ্ছেন।সংসদে ছড়াবে উত্তাপ - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আর প্রথম অধিবেশনেই ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে জাতীয় সংসদ। দলগুলোর বক্তব্য ও আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এমন ইঙ্গিত মিলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংসদ-সদস্যদের (এমপি) শপথগ্রহণের পর থেকেই দেশে রাজনীতিতে কিছুটা উত্তাপ ছড়িয়েছে। তবে এই উত্তাপ সংকটে রূপ নেয় কি না, তা দেখার জন্য সংসদের প্রথম অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, নির্বাচনের পর সরকারি দলের নির্বাচিতরা শুধু সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ নিয়েছেন। আর বিরোধী দলের সদস্যরা নিয়েছেন দুটি শপথ। একটি সংসদ-সদস্য হিসাবে এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে। তাদের মতে, একই দেশে দুই নিয়ম চলতে পারে না।গ্যাস-সংকট কাটছেই না - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাকিয়া রায়হানার বসবাস ঢাকার ধানমন্ডির ৭ নম্বর সড়কে। তাঁর বাসায় তিতাসের গ্যাস–সংযোগ রয়েছে, সঙ্গে আছে ভোগান্তি। প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পেয়ে তিনি রান্না করতে পারেন না। এই রমজান মাসে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। গ্যাসের এ সংকট আজকের নয়, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলছে। এ সময়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে। সংকট কাটানোর কথা বলে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অর্থনীতিতে সংকট তৈরি করেছে। বড় অঙ্কের দেনার মুখে পড়েছে দেশ, কিন্তু গ্যাস–সংকট আর কাটেনি।জাফলংয়ে পাথর লুট করছে কারা? - দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাফলং জুড়ে পাথর লুট হচ্ছে। এর প্রমাণ দিলো গোয়াইনঘাটের প্রশাসনও। গতকাল টানা কয়েক ঘণ্টার অভিযানে দেখা মিলেছে জাফলং লুটের ছিন্ন-ভিন্ন দৃশ্য। কখন জাফলং বেশি লুট হয়েছে- প্রশ্নের জবাবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগে অন্তত ৫০ কোটি টাকার বালু ও পাথর লুট হয়েছে। এ সময় কোয়ারিতে নামানো হয়েছে যন্ত্রদানব বোমা মেশিনও। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ট্রল হলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জাফলং নিয়ে নীরবই থেকেছেন। গতকাল যখন জাফলংয়ে প্রশাসন অভিযান চালায়- তখন দেখা যায় রীতিমতো কোয়ারি বড় বড় গর্ত খুঁড়ে জাফলং লুট করা হচ্ছে। জুমপাড় এলাকাকে পরিণত করা হয়েছে লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে।