দলের রান ৩৩৫ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অনেকটা কৃতিত্ব আকবর আলীর। আর বল হাতে সেই রান ডিফেন্ড করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন রিশাদ হোসেন। এই দুজনের অনবদ্য পারফরম্যান্সে জয় দিয়ে বিসিএল শুরু করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর নর্থ জোন।বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বিসিএলের প্রথম ম্যাচে ইস্ট জোনকে ৫৪ রানে হারিয়েছে নর্থ জোন। আগে ব্যাট করে আকবরের সেঞ্চুরি ও শান্ত-তামিমের ফিফটিতে ৩৩৫ রান করে নর্থ জোন। জবাবে মুমিনুল হক, ইয়াসির-ইমনদের মাঝারি ইনিংস যথেষ্ট হয়নি ইস্ট জোনের জেতার জন্য৷ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ রানে প্রথম উইকেট হারায় নর্থ জোন। ১৪ বলে ১৬ রান করে ফেরেন হাবিবুর রহমান সোহান। দ্বিতীয় উইকেটে ৮২ রানের জুটি গড়ে শান্ত ও তানজিদ তামিম। মাত্র ৩৭ বলে ফিফটি হাঁকান তামিম৷ এরপর অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি এই ক্রিকেটার। ৮টি চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রান করেন তামিম।বড় হয়নি লিটন দাসের ইনিংসও। ১০ রান করে খালেদের শিকার হন তিনি। দ্রুত ফিরে যান তাওহীদ হৃদয়ও। দলীয় ১১৮ রানে চতুর্থ উইকেটের পতনের অধিনায়ক শান্তর সাথে আকবর আলী গড়েন শতাধিক রানের জুটি।জুটিতে দুজনেই দেখা পান ফিফটির। ৮৭ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৬৮ রান করে শান্ত আউট হলে ভাঙে আকবর-শান্তর ১২০ রানের জুটি।আরও পড়ুন: আফিফ-মিঠুনের ব্যাটে সাউথ জোনের দাপুটে জয়অন্যদিকে, ফিফটির পর আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন আকবর। ৮১ বলেই পান সেঞ্চুরির দেখা। ৮টি চার ও ৬ ছক্কা হাঁকিয়ে আকবর থামেন ১১১ রান করে। শরিফুল ইসলাম, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ২০ ও ১৭ রানে ক্যামিও ইনিংস খেলে রান নিয়ে যান ৩৩৫-এ।ইস্ট জোনের হয়ে ১০ ওভার বল করে ৫২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন সৈয়দ খালেদ আহমদ। ২ উইকেট শিকার করলেও ৯৮ রান খরচ করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।জবাব দিতে নেমে ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় ইস্ট জোন। শরিফুল ইসলামের শিকার হওয়ার আগে ১৮ বলে ৮ রান করেন জাকির হাসান। এরপর অমিত হাসানকে সাথে নিয়ে এগোতে থাকেন ইমন।অমিতকে ২২ রানে আউট করে তাদের ৪৩ রানের জুটি ভাঙেন এস এম মেহেরব। ২৮ বলের ইনিংসে ৪টি চার হাঁকান অমিত। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন ইমন। নাহিদ রানার বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এই ব্যাটার। তার আগে ৩৮ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩৫ রান। আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি দিলো দ. আফ্রিকাচতুর্থ উইকেটে মুমিনুল হককে নিয়ে লড়াই জারি রাখেন ইস্টের অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি। তাদের ৭১ রানের জুটিতে প্রতিযোগিতায় ছিল ইস্ট। তবে সেই জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। ব্যক্তিগত ৪২ রানে ইয়াসিরকে সাজঘরে ফেরান এই লেগ স্পিনার। ছয়ে নেমে শামীম হোসেন বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। রিশাদের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৯ বলে ১২ রান করেন তিনি। একই ওভারে সাইফউদ্দিনকেও সাজঘরে ফেরান রিশাদ।এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ইস্ট জোন। ৮২ বলে মুমিনুলের ৮৩ রানের ইনিংসটা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।নর্থ জোনের হয়ে ১০ ওভার বল করে ৫৭ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন রিশাদ।৮