রাশিয়া তার সামরিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও উন্নত করবে এবং এক্ষেত্রে পারমাণবিক ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ (পারমাণবিক অস্ত্র বহনের তিনটি ভিন্ন মাধ্যম বা ত্রিমুখী সামরিক শক্তি কাঠামো) ‘নিঃশর্ত অগ্রাধিকার’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ‘ডিফেন্ডার অব দ্য ফাদারল্যান্ড ডে’ উপলক্ষে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় পুতিন এ কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের প্রশংসাও করেন। খবর আরটি’র। পুতিন বলেন, ইউক্রেন সংঘাত থেকে অর্জিত যুদ্ধ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রুশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি রাশিয়ার বিজ্ঞান ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর সব শাখার যুদ্ধ প্রস্তুতি বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াডের উন্নয়ন, যা রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং বিশ্বে কৌশলগত প্রতিরোধ ও শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, তা আমাদের নিঃশর্ত অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে।’ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সবশেষ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্টের এ বক্তব্য এলো। আরও পড়ুন: আল জাজিরার প্রতিবেদন /চার বছরের ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়াকে যেভাবে বদলে দিয়েছে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও মস্কো জোর দিয়ে বলেছে, তারা ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেবে না’ এবং ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে না। তবে শর্ত হলো, যুক্তরাষ্ট্রও একই নীতি অনুসরণ করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভবিষ্যৎ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করার আগ্রহ দেখানোর পর রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিটি নবায়ন হয়নি। তবে বেইজিং এ প্রস্তাবকে ‘ন্যায্য বা যুক্তিসংগত নয়’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের দাবি, তাদের পারমাণবিক ভাণ্ডার রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক ছোট। সূত্র: আরটি