‘রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক তথ্য’

প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সারাদেশ- দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডের ভেতরে বিল্লাল হোসেনের চায়ের দোকান। একটু স্বস্তিতে বেচাকেনা করবেন, সেটারও জো নেই মশার যন্ত্রণায়। দুপাশে দুটি কয়েল জ্বালিয়েছেন, তাও মশা দমে না। মশার প্রসঙ্গ তুলতেই তাঁর বারুদ কণ্ঠ। বললেন, ‘মশার দল আমারেই কখন তুইলা নিয়া যায়-এই চিন্তায় থাহন লাগে।’  রোকেয়া সরণির পীরেরবাগ রোডের বাসিন্দা বাদল সূত্রধর বলেন, ‘এত মশা জীবনে দেখিনি। মশা শরীরে লাগলেই চুলকায়। দোকানে মশা নিয়ন্ত্রণের সামগ্রীরও সংকট দেখা দিয়েছে। ঘরে মশার কয়েলও জ্বালানো নিরাপদ না। এ নিয়ে বিপদে আছি।’ নগরের মানুষের এমন আক্ষেপ শুধু তেজগাঁও কিংবা রোকেয়া সরণিতেই নয়; রাজধানী ছাড়িয়ে দেশের সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এমনকি গ্রামেও এখন আলোচিত চরিত্র মশা।সামলাতে হবে তিন সংকট - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সরকার গঠনের পর জনমনে এক ধরনের স্বস্তি তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মকাণ্ড ও ভূমিকায় জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে আশাবাদ। বলা হচ্ছে, দেশ পরিচালনায় তারেক রহমান পুরোনো প্রথা ভেঙে নতুন স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন। কিন্তু এই স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে কী কী বাধা রয়েছে সে আলোচনাও উঠছে।  সচেতন জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ঘরে-বাইরে মোটা দাগে তিনটি চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে নতুন সরকারকে। প্রথমত, ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসায়ী সমাজসহ জনগণের মধ্যে স্বস্তি তৈরির পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নিজ নিজ স্বার্থ ও লাভের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।নাজুক রাষ্ট্রীয় কোষাগার বিপুল বকেয়া, দুশ্চিন্তায় নতুন সরকারের অনেকেই - দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান খবর এটি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজস্ব বাবদ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে সরকারের। যদিও পরিচালন ও উন্নয়ন খাত মিলিয়ে এ সময়ে আড়াই লাখ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় ৩৩ হাজার ৩৪০ কোটি টাকার ঋণ নিতে হয়েছে সরকারকে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের এ নাজুক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই। তার ওপর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বকেয়া এবং ঋণ পরিশোধের চাপ। এ অবস্থায় নতুন সরকারের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। বিদ্যমান বাস্তবতায় জনপ্রত্যাশা পূরণ করা নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল অনেকেই।রাষ্ট্রপতির আরও বিস্ফোরক তথ্য - দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সংবাদ এটি।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এ যেন এক প্রাসাদবন্দি রাষ্ট্রপতির রোমহর্ষক গল্প। টানা দেড় বছরের সেই বন্দিদশা আজ নেই। এই স্বস্তিতেই যেন রুদ্ধকালের ঘটনাপঞ্জি প্রাণ খুলে মেলে ধরলেন রাষ্ট্রপ্রধান মো. সাহাবুদ্দিন।  গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে তার কার্যালয়ে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবতারণা করেছেন রাষ্ট্রপতি। তার বক্তব্যের দ্বিতীয় ও শেষ অংশ আজ ছাপিয়েছে দৈনিক পত্রিকা কালের কণ্ঠ। ৫ আগস্টের পরের মামলা যাচাই-বাছাই হবে - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ এটি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো আবার যাচাই-বাছাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।   ব্যবসায়ী, বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্যক্তিসহ মানুষ যাতে ভোগান্তির শিকার না হন, সে জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে যাতে কেউ মামলাবাজির শিকার হয়ে ভোগান্তিতে না পড়েন, সেটি নিশ্চিত করা হবে।সিটিতে শুরু, ইউপিতে শেষ হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন - দৈনিক আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ এটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের কোনো পর্যায়েই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই। গত এক-দেড় বছরের এই শূন্যতায় সেবা পেতে নানা পর্যায়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নাগরিকদের। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারের দায়িত্ব এখন এসব নির্বাচন দ্রুত শেষ করে সব জায়গায় জনপ্রতিনিধি বসানো।   জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এরপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার পরিকল্পনা হচ্ছে। যদিও এই রোডম্যাপ এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।