৯ বছরের অবসর ভেঙে ফের রিংয়ে ফিরছেন সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্লয়েড মেওয়েদার। এ বছর চতুর্থবারের মতো অবসর ভেঙে আনুষ্ঠানিক লড়াইয়ে ফেরার ঘোষণা দিলেন এই মার্কিন বক্সার। অন্যদিকে গত বছর চার বছরের অবসর ভেঙে রিংয়ে ফিরেছেন আরেক কিংবদন্তি বক্সার ম্যানি প্যাকুইয়াও। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরে লাগ ভেগাসে মুখোমুখি হবে এই দুই কিংবদন্তি বক্সার। বিশ্বব্যাপী এই খেলাটি দর্শকরা নেটফ্লিক্সে দেখতে পারবেন।২০১৫ সালে একটি লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন ফ্লয়েড মেওয়েদার ও ম্যানি প্যাকুইয়াও। সে লড়াইটিকে শতাব্দীর সেরা লড়াই বলেও অভিহিত করা হয়েছিল। সে ম্যাচে অবশ্য মেওয়েদারই জয় পেয়েছিল। ১১ বছর পর আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বক্সিং জগতের এই দুই কিংবদন্তি। যা এটিকে ইতিহাসের প্রাচীনতম বক্সিং ম্যাচগুলোর মধ্যে একটি। কেননা, মেওয়েদারের বয়স হবে তখন ৪৯ বছর, আর প্যাকুইয়াও-এর বয়স ৪৭ বছর। আরও পড়ুন: টেন্ডুলকারকে দেয়া সেই ‘আউট’ নিয়ে ২২ বছর পর মুখ খুললেন বাকনার এক বিবৃতিতে মেওয়েদার বলেছেন, ‘আমি ইতিমধ্যে ম্যানির সঙ্গে লড়াই করেছি তাকে হারিয়েছি, এবারও একই ফলাফল হবে।’ ওই লড়াইয়ের পরে অবশ্য প্যাকুইয়াও জানিয়েছিলেন, তখন কাঁধের ইনজুরিতে ভুগছিলেন তিনি। তবে প্যাকুইয়াও জানিয়েছেন, মেওয়েদারকে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ দিতে চান তিনি। ‘ভক্তরা অনেক অপেক্ষা করেছেন, তারা এই পুনরায় ম্যাচটির যোগ্য। আমি চাই, ফ্লয়েড তার পেশাদার রেকর্ডের একমাত্র পরাজয়ের সাথে বেঁচে থাকুক এবং সর্বদা মনে রাখুক যে এটি (হারের স্বাদ) তাকে কে দিয়েছে।’ প্রজন্মের সেরা দুই বক্সার মেওয়েদার এবং প্যাকুইয়াও। ২০১৭ সালে অবসর নিয়েছিলেন মেওয়েদার। সে বছর দশম রাউন্ডের টেকনিক্যাল নকআউটে মিক্সড মার্শাল আর্টস ফাইটে কনর ম্যাকগ্রেগরকে হারিয়েছিলেন তিনি। আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে: মুশতাক এখন পর্যন্ত ৫০টি ম্যাচ খেলেছেন মেওয়েদার, তবে কোনো ম্যাচই এ পর্যন্ত তিনি হারেননি। যার মধ্যে ২৭ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে নকআউট করে জিতেছেন এই মার্কিন বক্সার। এর আগে ২০০৭, ২০১৫ ও ২০১৭ সালে অবসর নিলেও বিভিন্ন সময়ে প্রদর্শনী লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। সর্বশেষ ২০২৪ সালের আগস্টে জন গট্টি থার্ডের বিপক্ষে রিংয়ে দেখা গেছে মানি মেওয়েদারকে। তিন দশকের ক্যারিয়ারে পাঁচটি ভিন্ন ওজন শ্রেণিতে ১৫টি বিশ্ব শিরোপা জিতেছেন মেওয়েদার। পে-পার-ভিউ ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি আয়ের শীর্ষ তিন ইভেন্টেই ছিলেন তিনি মূল আকর্ষণ, যা তাকে ক্রীড়াজগতের অন্যতম ধনী ও প্রভাবশালী বক্সার হিসেবে পরিণত করেছে।