লেবানন থেকে হঠাৎ দূতাবাস কর্মীদের কেন সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বৈরুতের রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে নিজেদের কয়েক ডজন কর্মীকে সরিয়ে নিয়েছে লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, জরুরি নয় এমন সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের দূতাবাস থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কর্মীসংখ্যা কমানোর এই সিদ্ধান্ত ‘অস্থায়ী’ বলেও জানান তিনি। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নিয়মিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করি। সবশেষ মূল্যায়নের ভিত্তিতে আমরা মনে করেছি, কেবল প্রয়োজনীয় কর্মী রেখে উপস্থিতি সীমিত করাই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত।’ দূতাবাস মূল কর্মী নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সহায়তা দেয়ার সক্ষমতা বজায় রাখার জন্য নেয়া একটি সাময়িক পদক্ষেপ। পরে দূতাবাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ দেয়া এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের কর্মীরা পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ভ্রমণ করতে পারবেন না।  আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ নয়, ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান ইইউর নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বেড়ে গেলে মিশনপ্রধানের নিরাপত্তা দায়িত্বের আওতায় অতিরিক্ত ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলেও জানানো হয়। এদিকে, সম্ভাব্য পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি