দুর্নীতির অভিযোগ: প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে যা বললেন তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের দায়িত্ব ছাড়ার দিনে (সোমবার) মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে। তবে তাজুল ইসলামের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগকে বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা বলে দাবি করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেয়া এক বিবৃবিতে তাজুল ইসলাম বলেন, গতকাল এবং আজ কিছু সংখ্যক গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে আমার বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জনৈক প্রসিকিউটরের বরাতে কিছু বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে— উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া, তথ্য প্রমাণবিহীন এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দুরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে। উক্ত বিভ্রান্তমূলক ও অভিযোগগুলো সর্বতোভাবে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি আমার আনীত এসব অভিযোগের স্বপক্ষে সামান্য তথ্য প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আমি এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ এবং আইনসম্মত। গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল সংগঠিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। আরও পড়ুন: সোহরাওয়ার্দীতে শিক্ষার্থীদের মারধর, পুলিশের ৪ সদস্যের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে ব্যবস্থা তাজুল দাবি করেন, আমার দায়িত্বকালীন সময়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কেউ পায়নি। আমি বিদায় নেয়ার পর বিশেষ মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দেয়ার জন্য এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই ধরনের বিভ্রান্তি এবং গুজব অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান সাবেক এই চিফ প্রসিকিউটর। প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদ থেকে বিদায়ের দিনে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ। তার অভিযোগ, ‘চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে’ টাকা আয়ের হাতিয়ার করেছিল তাজুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট। আরও পড়ুন: বিদায় বেলায় যা বললেন তাজুল ইসলাম সোমবার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ট্রাইব্যুনালে সেটলিং বাণিজ্য ও রাজসাক্ষী নাটক: কেন সরতে হচ্ছে তাজুল ইসলামকে?’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেয়া হয়। সেখানে দুটি মন্তব্য করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। সেই দুই মন্তব্যে তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেন তিনি।