ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে খন্দকার শামীম কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন। খবরটি শুনেই পুলিশের ডিসি মাসুদকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী।