শুরুতেই ফ্যামিলি কার্ড পাবে সাড়ে ৬ হাজার পরিবার, লাগবে ২ কোটি টাকা

বৈষম্যহীন ও মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর যৌথভাবে প্রণীত ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন ২০২৬ (খসড়া)’ অনুযায়ী, প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি নির্বাচিত এলাকায় সাড়ে ৬ হাজার দরিদ্র পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে। পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৭২ হাজার ৩২৫ টাকা। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’—এই দর্শনকে সামনে রেখে কর্মসূচিটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু থাকলেও সমন্বয়হীনতা, দ্বৈত সুবিধা গ্রহণ (ডাবল-ডিপিং) এবং প্রায় ২২-২৫ শতাংশ প্রকৃত দরিদ্রের বাদ পড়ার মতো সমস্যা রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলে এসব ত্রুটি দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপকারভোগী নির্বাচন হবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরিং পদ্ধতিতে। ০ থেকে ১০০০ স্কোরের ভিত্তিতে প্রথম (০-৭৭৭) ও দ্বিতীয় (৭৭৮-৭৯৬) কোয়ান্টাইলভুক্ত অতি দরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো পাইলট পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হবে। পিএমটি হলো- সম্পদ ও আয়ের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নির্ধারণের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। গ্রামীণ এলাকায় বসতভিটাসহ আবাদি জমি সর্বোচ্চ ০.৫০ একর হতে হবে। সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগী সদস্য, বড় ব্যবসা বা বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী পরিবার এবং বিলাসবহুল সম্পদ (গাড়ি, এসি) থাকলে তারা অযোগ্য বিবেচিত হবে। ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠী যেমন তৃতীয় লিঙ্গ, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবারগুলো এই তালিকায় অগ্রাধিকার পাবে। খসড়া ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইনে এমন তথ্য রাখা হয়েছে। নারীর নামে কার্ড, মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে কার্ডটি পরিবারের ‘মা’ বা নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা হবে। পাইলট পর্যায়ে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। অর্থ সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। একই স্মার্ট কার্ড ও ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সাশ্রয়ী খাদ্য সহায়তা পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে শিক্ষা উপবৃত্তি, কৃষি ভর্তুকি ও অন্যান্য ভাতা এ কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি (ডিএসআর)-তে একীভূত করা হবে। ১৩ এলাকায় পাইলট বাস্তবায়ন পাইলট প্রকল্পের জন্য দেশের ১৩টি ভিন্নধর্মী এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ঢাকার বনানী (কড়াইল বস্তি- ১৯ নং ওয়ার্ড), পাংশা (রাজবাড়ী)- ৪ বা ৫ নং ওয়ার্ড, পটিয়া (চট্টগ্রাম)- ৪ নং ওয়ার্ড, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)- ১ বা ২ নং ওয়ার্ড, লামা (বান্দরবান)- ২ বা ৩ নং ওয়ার্ড, খালিশপুর (খুলনা)- ১০ নং ওয়ার্ড, চরফ্যাশন (ভোলা)- ১ বা ৪ নং ওয়ার্ড, দিরাই (সুনামগঞ্জ)- ৫ বা ৬ নং ওয়ার্ড, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)- ২ বা ৮ নং ওয়ার্ড, বগুড়া সদর- ২ বা ৩ নং ওয়ার্ড, লালপুর (নাটোর)- ১ নং ওয়ার্ড, ঠাকুরগাঁও সদর- ১ বা ২ নং ওয়ার্ড এবং নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)- ১ নং ওয়ার্ড দাউদপুর। দারিদ্র্যের ঘনত্ব, ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও অনগ্রসরতার মাত্রা বিবেচনায় এসব এলাকা বাছাই করা হয়েছে। বহুমাত্রিক কমিটি কাঠামো কার্যক্রম বাস্তবায়নে জাতীয় থেকে তৃণমূল পর্যন্ত শক্তিশালী কমিটি কাঠামো গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা কমিটি নীতি নির্ধারণ করবে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে জাতীয় কারিগরি ও ডাটা ম্যানেজমেন্ট কমিটি কাজ করবে। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পৃথক বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপকারভোগী নির্বাচন হবে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরিং পদ্ধতিতে। ০ থেকে ১০০০ স্কোরের ভিত্তিতে প্রথম (০-৭৭৭) ও দ্বিতীয় (৭৭৮-৭৯৬) কোয়ান্টাইলভুক্ত অতি দরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলো পাইলট পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হবে ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ করবে, ইউনিয়ন/পৌর কমিটি যাচাই-বাছাই করবে এবং উপজেলা/শহর কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। জেলা কমিটি আপিল ও অভিযোগ নিষ্পত্তি করবে। বাস্তবায়ন সূচি সমাজসেবা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় সার্ভারে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নতুন মডিউল যুক্ত করা হবে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে নীতিমালা অনুমোদন এবং গেজেট প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে পাইলট এলাকার কর্মকর্তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে অন্তত ১ হাজার পরিবারের তথ্য অফলাইনে (কাগজের ফর্মে) সংগ্রহ করবে। পরিবার প্রধানের (নারী) এনআইডি, মোবাইল নম্বর এবং ঘরের ধরন ও সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি প্রাথমিক ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। আরও পড়ুন‘ফ্যামিলি কার্ড’ কারা পাবেন, কারা পাবেন নাফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকানির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর প্রস্তুতি ২ থেকে ৩ মার্চ সংগ্রহ করা তথ্যগুলো পিএমটি স্কোরিং ইঞ্জিনে যাচাই করা হবে। স্কোর অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় কোয়ান্টাইলভুক্ত (০-৭৯৬ স্কোর) দরিদ্র পরিবারগুলোকে আলাদা করা হবে এবং সচ্ছল পরিবারগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। ৩ থেকে ৪ মার্চ বাছাই করা চূড়ান্ত ৫০০ পরিবারের তথ্য উপজেলা সমাজসেবা অফিস বা শহর সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে অনলাইনে এন্ট্রি দেওয়া হবে। প্রতিটি সফল এন্ট্রির জন্য ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে নির্ধারিত ২৫ টাকা হারে ফি দেওয়া হবে। ৫ থেকে ৭ মার্চ সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমাজকর্মীরা সরেজমিনে নির্বাচিত পরিবারগুলোর বাড়িতে যাবেন। সেখানে আবেদনকারী নারী এবং তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করবেন। ৮ থেকে ৯ মার্চ উপজেলা বা আঞ্চলিক বাস্তবায়ন কমিটি ভেরিফায়েড তালিকাটি চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে ডাটাবেজ ‘লক’ করে দেবে। এরপর দ্রুত কিউআর কোডযুক্ত স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড প্রিন্টিং সম্পন্ন করা হবে এবং সুবিধাভোগীদের মোবাইলে কার্ড সংগ্রহের এসএমএস পাঠানো হবে। ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই জি-টু-পি পদ্ধতিতে প্রতিটি পরিবারের মোবাইল ওয়ালেটে প্রথম মাসের ২ হাজার ৫০০ টাকার নগদ সহায়তা পৌঁছে যাবে। বাজেটের ৭৭ শতাংশ সরাসরি দরিদ্রদের হাতে মোট ২ কোটি ১০ লাখ ৭২ হাজার ৩২৫ টাকার বাজেটের মধ্যে ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা (৭৭ শতাংশ) সরাসরি ৬ হাজার ৫০০ পরিবারের হাতে নগদ সহায়তা হিসেবে যাবে। বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, ডাটা এন্ট্রি (প্রতি ফর্ম ২৫ টাকা), কমিটির সম্মানী, স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং ও উদ্বোধনী ব্যয়ে ব্যবহৃত হবে। ২০৩০ সালের লক্ষ্য গাইডলাইনে ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’ এ রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপির ৩ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। কোথায় কত অর্থ ব্যয় হবে ৩টি কমিটির সভাপতিদের জন্য প্রতি সভায় ২ হাজার টাকা এবং সদস্যদের জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এতে ১৩টি ইউনিটের ৩টি পর্যায়ের কমিটির জন্য মোট ব্যয় হবে ১০ লাখ ১৪ হাজার টাকা। সভার গুরুত্ব বিবেচনায় জনপ্রতি ৩০০ টাকা হারে নাস্তা ও আপ্যায়ন খরচ ধরা হয়েছে। ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই জি-টু-পি পদ্ধতিতে প্রতিটি পরিবারের মোবাইল ওয়ালেটে প্রথম মাসের ২ হাজার ৫০০ টাকার নগদ সহায়তা পৌঁছে যাবে এছাড়া ১৩টি ইউনিটের জন্য ২ লাখ টাকা ‘অন্যান্য ব্যয়’ হিসেবে রাখা হয়েছে, যা সিল তৈরি, কাগজ ও জরুরি যাতায়াতে ব্যয় হবে। পাশাপাশি ১ হাজার পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই শেষে ৫০০ পরিবার চূড়ান্ত করা হবে। প্রতি ফর্মে ২৫ টাকা এন্ট্রি ফি ধরা হয়েছে। আর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। কোন কমিটিতে কারা উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক হবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সদস্য হিসেবে থাকবেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকবেন।আরও পড়ুনআসছে ‌‘ফ্যামিলি কার্ড’, প্রথমেই কারা পাচ্ছেন?ফ্যামিলি কার্ডে দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রীনারীর ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী পরিবার গঠনে বিএনপির ‘ফ্যামিলি কার্ড’ শহর কমিটির আহ্বায়ক হবেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি), মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা, প্রতিনিধি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তর, থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, থানা নির্বাচন অফিসার, থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, থানা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধি, বিআরডিবি। সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকবেন শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা। ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক হবেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন- সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং দফাদার। ইউনিয়ন সমাজকর্মী সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। পৌর কমিটির আহ্বায়ক হবেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/নির্বাহী কর্মকর্তা। আর সদস্য হিসেবে থাকবে- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট থানার প্রতিনিধি। পৌর সমাজকর্মী সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। ওয়ার্ড কমিটির (গ্রাম) আহ্বায়ক হবেন স্বাস্থ্য সহকারী। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন- পরিবার পরিকল্পনা সহকারী এবং গ্রাম পুলিশ। আনসার ভিডিপি দলনেতা সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। ওয়ার্ড কমিটির (শহর) আহ্বায়ক হবেন- সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা। আর সদস্য হিসেবে থাকবেন- বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী এবং শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মী। পৌর সমাজকর্মী সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। এমএএস/ইএ