অ্যাপের মাধ্যমে রাজধানীর লালবাগ বিভাগের এক নারী সার্জেন্ট ও ভূমি ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলাম জাহিদ খানের পরিচয় হয়। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জাহিদ খান তাকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ ওই সার্জেন্টের।পরে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় ওই ভূমি ব্যবসায়ীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর এ আদেশ দেন। ভুক্তভোগী ওই সার্জেন্ট জানান, মেট্রিমনি অ্যাপের মাধ্যমে গত ৫ নভেম্বর তাদের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। বিয়ের বিষয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনাও হয়। এ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন জাহিদ খান। সবশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে ধর্ষণ করা হয়। আরও পড়ুন: ভোলায় প্রতিবন্ধী নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ৩ মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং প্রতারণার মাধ্যমে ১৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি লালবাগ থানায় মামলা করেন ওই নারী সার্জেন্ট। মামলা দায়েরের পর জাহিদ খানকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন: নওগাঁয় বিয়েবাড়িতে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ এরপর তদন্ত কর্মকর্তা লালবাগ থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক খান গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য ২৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট সাকিব আহমেদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।