বৃত্তি শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটি মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় যারা বৃত্তি অর্জন করেছে, তাদের সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের গর্ব, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। এ বৃত্তি শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটি মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি। আমি আশা করি, এ শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশের উন্নয়নে, জ্ঞানচর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। বৃত্তি না পাওয়াদের উৎসাহ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা এবার বৃত্তি পায়নি, তাদেরকেও আমি নিরুৎসাহিত না হওয়ার আহ্বান জানাই। জীবনে সাফল্যের অনেক সুযোগ আছে। চেষ্টা চালিয়ে গেলে নিশ্চয়ই সফল হবে। শিক্ষক-অভিভাবকদের অভিনন্দন জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষক-অভিভাবকদের উৎসাহ ও পরিশ্রম ছাড়া শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য সম্ভব হতো না। সরকার শিক্ষার উন্নয়নে ও মেধাবি শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে, যা শিক্ষার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি। প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড থেকে সারাদেশে মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৪৫০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে পাবে। এ বৃত্তির টাকা দুই বছর (নবম-দশম) পর্যন্ত দেওয়া হবে। এছাড়া তাদের বছরে এককালীন অর্থও দেওয়া হবে। এএএইচ/এসএইচএস