'দ্য হান্ড্রেডে' ভারতীয় মালিকানাধীন দলে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা সুযোগ না পেলে, তা হবে লজ্জাজনক এক ঘটনা। এ ব্যাপারে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে বিচক্ষণতার পরিচয় দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মঈন আলি। দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে বিক্ষোভের হুমকিও দেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক দ্বন্দ্বের প্রভাব আগেই পড়েছে ক্রিকেটবিশ্বে। একে অপরের দেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যায় না। আইসিসি-এসিসি ইভেন্ট করতে হয় হাইব্রিড মডেলে। এবার প্রভাবটা পড়েছে ইউরোপের লিগেও। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড- ইসিবির ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট 'দ্য হান্ড্রেডে' ভারতীয় মালিকানাধীন কোনো দলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের না'ও নেয়া হতে পারে, এমন খবর প্রকাশের পর থেকেই বিতর্ক ক্রিকেট দুনিয়ায়।এই মুহূর্তে ইংলিশ ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটিতে ৪টি দলের মালিকানায় রয়েছে ভারতীয় সংস্থা। ম্যানচেস্টারের আরপিজি, লন্ডনের রিলায়্যান্স, সাদার্ন ব্রেভের জিএমআর এবং লিডসের সান গ্রুপ। আইপিএল দলেরও মালিকানা রয়েছে তাদের। শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দলে নিতে চায় না সেই ৪ ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকপক্ষ।আর এতে রীতিমতো ক্ষোভ ঝেড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। ইন্ডিয়ান মালিকের দলগুলোকে কড়া ভাষায় চিঠি পাঠিয়েছে ইসিবি। কোন দল কোন খেলোয়াড়কে নেবে কিংবা নেবে না সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়ার এখতিয়ার না থাকলেও, ইসিবি চায় সব দেশের ক্রিকেটারদের 'দ্য হান্ড্রেডে' অংশগ্রহণের সুযোগ রাখতে।পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের যেনো বাদ দেয়া না হয়, কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলি।আরও পড়ুন: মিলারের সঙ্গে ভিডিও পোস্ট করায় ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সারকে ধর্ষণের হুমকি ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার মঈন আলি বলেন, 'আশা করি ইংল্যান্ডে এমন কিছু ঘটবে না। তবে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। যদি তা না হয় তাহলে সেটা হবে লজ্জাজনক। আশা করবো ইসিবি বিষয়টার দিকে নজর রাখবে।'পুরুষ ও নারী মিলিয়ে 'দ্য হান্ড্রেডে' খেলার জন্য আবেদন করেছেন ৬৭ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। একাধিক দলের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে তাদের ব্যাপারে। কিন্তু, বাধ সেঁধেছে ভারতীয়রা। শেষ পর্যন্ত 'মেন ইন গ্রিন' প্লেয়ারদের বাদ দেয়া হলে তোপের মুখে পড়তে হবে, হর্তাকর্তাদের একরকম হুমকিই দিয়ে রাখেন মঈন।মঈন আলি বলেন, 'যদি এমন কিছু হয়, ক্রিকেটাররা চুপ করে বসে থাকবে না। অবশ্যই প্রতিবাদ জানাবে। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হোক বা না হোক, সবার এগিয়ে আসা উচিত। এসবের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু, এটা হলে খুব খারাপ দৃষ্টান্ত হবে।'এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টি-টোয়েন্টি ও আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতেও ভারতীয় মালিকানাধীন দলে নেয়া হয়নি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের।