ডেঙ্গু প্রতিরোধে জল ও স্থলপথে মশক নিধন অভিযানের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল ডেঙ্গু প্রতিরোধে জল ও স্থলপথে একযোগে মশক নিধন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ধলপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ওষুধ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওষুধের কার্যকারিতা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে ছিটানো ওষুধের মান যাচাইয়ে স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার মাধ্যমে কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুরোদমে স্প্রে কার্যক্রম শুরু হবে।’খাল ও জলাশয়ে মশা মারতে ডিঙি নৌকা ও স্পিডবোট ব্যবহারের পাশাপাশি ওষুধের মান যাচাইয়ে জোর দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। মাঠ পর্যায়ের এই তদারকিতে দ্রুতই সুফল পাওয়ার আশা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের।মশক নিধনে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএসসিসি’র প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা একটা ক্রাশ প্রোগ্রাম নেব। কিছু কিছু জায়গায় খাল ছাড়াও পুকুর ও ডোবা আমরা পরিষ্কার করবো। এরপর মালিকদের পরিষ্কার রাখার ব্যাপারে তাগিদ দেব। এরপরেও তারা যদি পরিষ্কার না রাখে তখন আমরা ব্যবস্থা নেব।’আরও পড়ুন: ডেঙ্গু মশা নিধনে বুধবার থেকে মাঠে নামবে সরকার এদিকে উত্তর সিটিতেও চলছে অভিযান। সেখানে মশক নিধন ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষায় অংশ নেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। স্বীকার করেন আগের সমন্বয়হীনতার কথা। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, ‘আমাদের প্রশাসনে বা যেকোনো জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে অনেক সময় সমন্বয়ের অভাব দেখা যায়। যেটা আমাদের কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা এ ব্যাপারে সচেতন আছি এবং সমন্বিত একটা কর্মপন্থা নিয়েই কাজগুলো করবো।’মশা নিধনে নগরবাসীকে দৃশ্যমান ফলাফল দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।তিনি বলেন, ‘মশার ওষুধ নিয়ে জনগণের মধ্যে বড় ধরনের প্রশ্ন আছে। বিষয়টা খতিয়ে দেখে আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে পারবো।’