কিশোরগঞ্জে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি, মৌখিকে ধরা পড়া ৯ জনের কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় বদলি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে মৌখিক পরীক্ষা দিতে আসা ৯ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে জেলা প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে ওই ৯ পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় বলে প্রতিয়মান হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও রাজস্ব প্রশাসন নিয়োগ নির্বাচনী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।তিনি জানান, গত ২০ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্ব প্রশাসনের অধীনে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক ৫৫টি, নিরাপত্তা প্রহরী ৩টি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১টিসহ মোট ৫৯টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় এবং উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সড়কের বেহাল দশা, আশ্বাসেই আটকে মেরামতবুধবার মৌখিক পরীক্ষার সময় সন্দেহের সৃষ্টি হলে পরীক্ষার্থীদের লিখিত খাতার হাতের লেখার সঙ্গে তাদের তাৎক্ষণিক লেখার মিল পাওয়া যায়নি। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কথা স্বীকার করে।ঘটনার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হোসেনপুর উপজেলার মো. নিজাম উদ্দিন ও  সাব্বির,  পাকুন্দিয়া উপজেলার  পিয়াস  ও  মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার  শফিকুল, ইটনা উপজেলার  নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জসিম  ও ফয়সাল এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রাহিমা আক্তার। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান ও রিয়াদ হোসেন।