২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকে দেশের বাইরে আছেন সাকিব আল হাসান। আরেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজাও আছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। দুজনেই আওয়ামী লীগের হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদের দুজনের নামেই রয়েছে একাধিক মামলা, এমনকি জুলাইয়ের হত্যা মামলাও রয়েছে তাদের নামে।এমন পরিস্থিতিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে দেশে ফেরা হয়নি সাকিব আল হাসানের, মাশরাফিকেও দেখা যায়নি জনসম্মুখে। তবে নতুন সরকার সাকিব-মাশরাফির বিষয়ে অনেকটা নমনীয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক তাদের ব্যাপারে সরকারের অত্যন্ত নমনীয় থাকার ব্যাপারটি এর আগেও বলেছেন, এবারও আরও একবার সেই একই কথা বললেন তিনি। আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের হারে বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়া শাস্ত্রীর বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আমিনুল হক জানিয়েছেন, ‘আমিও একজন প্লেয়ার। সাকিব এবং মাশরাফি বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। তাদের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের যে ভালোবাসা আমি দেখেছি, খেলার প্রতি তাদের যে আকৃষ্টতা রয়েছে, আমি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে মনে করি, তাদের যে মামলা সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে সেগুলো রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত।’ আরও পড়ুন: ইয়োর্কার নিয়ে কাজ করছেন রিপন, জানালেন টেপ পেচিয়ে বোলিংয়ের রহস্য মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা ব্যক্তিগত তাদের যে উকিল রয়েছেন, তাদের উকিলের মাধ্যমে তারা যদি আইনগত বিষয়গুলো মোকাবিলা করে তারা যদি নিরপরাধ হয়ে দেশের মাঠে এসে খেলে, সে জায়গাতে আমি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তাদেরকে ওয়েলকাম করব। আপনারা এসে আপনাদের যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলা করে যদি নিরপরাধ হন, সবকিছু প্রতিকার করে যদি আপনারা মাঠে আসেন, আমরা মোস্ট ওয়েলকাম (জানাব) তাদেরকে। এইটুকুতে আমরা শতভাগ নমনীয় থাকব ইনশাল্লাহ।’ আগামী মাসেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজ দিয়েই সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরাতে চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সবকিছু ঠিক থাকলে পাকিস্তান সিরিজেই দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে।