মোংলায় বাপ-ছেলেকে কুপিয়ে জখম, আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় বিক্ষোভ

মোংলার মিঠাখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে জখম, ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় থানায় মামলা হলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো আসামিদের অব্যাহত হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। হামলার বিচার ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রধান আসামি সাইফুল গোলদার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে তিনি বর্তমানে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং আগের মতোই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তার হাতে এলাকার বহু নারী ও পুরুষ  নির্যাতিত হয়েছেন।ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, মামলা করার পর থেকে সাইফুল ও তার সহযোগীরা মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। ফলে তারা বর্তমানে নিজ বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। যে কোনো মুহুর্তে পুনরায় এমন হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংঙ্কা প্রকাশ করছে ভুক্তভোগীরা। আরও পড়ুন: মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রীএ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাইফুল গোলদারের সাথে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।মোংলা থানার পরিদর্শক মানিক চন্দ্র গাইন বলেন, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মিঠাখালী এলাকায় মারামারির ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয়। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে, যত দ্রুত সম্ভব তাদের গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। আরও পড়ুন: সাড়ে ৩ বছর পর মোংলা বন্দর শ্রমিকদের মজুরি বাড়ছে ২৬ শতাংশজানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রয়ারি রাতে মিঠাখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে এই বর্বরোচিত হামলা, মারধর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল গোলদারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালায়। হামলায় বাবা ও ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয় কিন্ত এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেফতার হয়নি।