মুকুলে ভরে গেছে সাতক্ষীরার আম বাগানগুলো, বাম্পার ফলনের আশা

মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে সাতক্ষীরার আম বাগানগুলো। গতবারের তুলনায় এবারও প্রচুর মুকুল দেখে বাগান মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন। তবে পোকার আক্রমণ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কিছুটা শঙ্কা থাকছেই।সাতক্ষীরার জেলা জুড়ে প্রায় ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি উপজেলার মধ্যে সদর, তালা ও কলারোয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আমের বাগান আছে। প্রতিটি গাছে পর্যাপ্ত মুকুল আসায় চাষিরা খুশি। সাতক্ষীরার প্রসিদ্ধ সুমিষ্ট হিমসাগর, নেংড়া, গোপালভোগ ও আম্রপলি বিদেশেও সুনাম পেয়েছে। বাম্পার ফলন ধরে রাখতে এবং মুকুলকে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে বাগান মালিকরা বালাইনাশক ওষুধ স্প্রে করছেন। শ্রমিকরা গাছে আসা মুকুলের যত্নে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আরও পড়ুন: ৭১৪ হেক্টর বাগান উজার, রাজশাহীর আম নির্ভর অর্থনীতি কোন পথে? চলতি মৌসুমে তেমন কুয়াশার প্রভাব না থাকায় বাগান মালিকরা ভালো ফলনের আশা করছেন। তবে পোকার আক্রমণ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তারা কিছুটা উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। জেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘন কুয়াশা না থাকায় এবার আমের ফলন ভালো হবে। নিরাপদ আম উৎপাদন করে তা শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও পাঠানো যাবে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনির হোসেনও জানান, চাষিদের সহায়তায় এবারও বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম উৎপাদন করা হচ্ছে, যা রফতানির জন্যও উপযুক্ত। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরার ৪ হাজার ১৪০ হেক্টর জমির আম বাগানে ৭০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।