মুসলিম কংগ্রেস সদস্য ইলহান ও রাশিদাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাড়ানোর দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের দুই মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্পের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় ওই দুই নারী কংগ্রেস সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের ভাষণের সময় ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাশিদা তালিব এবং সোমালি বংশোদ্ভূত ইলহান ওমর ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির সমালোচনা করেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেন, দুই মুসলিম আইনপ্রণেতা ‘অসৎ ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদের’ মতো আচরণ করেছেন এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেয়া উচিত। আরও পড়ুন: স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ / জাতি তার হারানো গৌরব ফিরে পেয়েছে: ট্রাম্প ট্রাম্প আরও লিখেন, ‘গত রাতে অত্যন্ত মার্জিত স্টেট অব দ্য ইউনিয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সুন্দর অনুষ্ঠানে যখন আপনারা লো আইকিউ ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চিৎকার করতে দেখলেন, তাদের চোখ ছিল উন্মত্ত মানুষের মতো—পাগল, মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত ও অসুস্থ; সত্যি বলতে তাদের মানসিক প্রতিষ্ঠানে থাকা উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যদি এভাবে আচরণ করে এবং আমরা জানি তারা দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, যা আমাদের দেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব তারা যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’ মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টার ভাষণের সময় অল্প কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা প্রতিবাদ জানান, তাদের মধ্যে ছিলেন ওমর ও তালিব। আরও পড়ুন: ৩৫ মিলিয়ন মানুষ মারা যেত যদি আমি হস্তক্ষেপ না করতাম: ট্রাম্প ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায় হলেও তিনি তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটে। জন্মসূত্রে তিনি মার্কিন নাগরিক। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন তারা। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’