জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ অনুবিভাগের মহাপরিচালক শাহ্ আসিফ রহমান।বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাৎকালে মানবাধিকার বিষয়ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান কার্যক্রম, জাতিসংঘের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় তাদের মধ্যে। আলোচনায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার বিষয়সমূহ, বিশেষত রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক ও মানবাধিকার বিষয়গুলো, পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) প্রক্রিয়ার কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও প্রস্তুতি জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। আরও পড়ুন: ৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী কমিশনের চেয়ারপারসন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এ কমিশনের এখতিয়ার ও কর্মপরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। অধ্যাদেশটি দ্রুতই আইনে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উভয়পক্ষ মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় বিদ্যমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে তা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। পাশাপাশি, মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এ সময় কমিশনের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। পরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইউশা রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।