ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার সর্বশেষ আর্থিক সমীক্ষায় বড় সুখবর দিয়েছে বার্সেলোনাকে। তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মুন্দো দেপোর্তিভোতে। ‘ইউরোপিয়ান ক্লাব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ল্যান্ডস্কেপ ২০২৫’ প্রতিবেদনে জার্সি বিক্রি ও বিপণন আয় বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের শীর্ষ ২৫ ক্লাবের মধ্যে ২১টিই ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে কিট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ও বিপণন খাত থেকে তাদের আয় বৃদ্ধি করেছে। যার মধ্যে ১৯টি ক্লাব সর্বকালের রেকর্ড আয় গড়েছে। উয়েফার তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ গত অর্থবছরে আয় বৃদ্ধির দিক থেকে বার্সেলোনাই সবচেয়ে বড় অঙ্কের প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এর প্রধান কারণ ছিল নাইকির সঙ্গে ক্লাবের নবায়ন করা অংশীদারত্বের প্রথম পূর্ণ বছর। প্রযুক্তিগত সরবরাহকারী থেকে গড়ে ৬ শতাংশ আয় বেড়েছে শীর্ষ ২৫ ক্লাবের অধিকাংশেরই। এই তালিকায় বার্সেলোনার বৃদ্ধি ছিল তালিকার সবচেয়ে নাটকীয়। সকল ধরনের বিপণন আয়ের দিক থেকেও ইউরোপে শীর্ষে বার্সেলোনা। গেল অর্থবছরে জার্সি বিক্রি ও বিপণন থেকে ক্লাবটির আয় ২৭৭ মিলিয়ন ইউরো। এগিয়ে রয়েছে তারা রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখের চেয়ে। রিয়ালের আয় ২৩১ মিলিয়ন ইউরো এবং বায়ার্নের ১৮৯ মিলিয়ন। এর বাইরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৭২ মিলিয়ন, আর্সেনাল ১৫১ মিলিয়ন, লিভারপুল ১৪৮ মিলিয়ন, টটেনহ্যাম ১০২ মিলিয়ন, গালাতাসারাই ৯৯ মিলিয়ন ইউরো, চেলসি ৯৫ মিলিয়ন ইউরো, পিএসজি ৮৮ মিলিয়ন ইউরো এবং ম্যানচেস্টার সিটি ৮৮ মিলিয়ন ইউরো। সবার অবস্থানই বার্সার পেছনে। নতুন এই পরিসংখ্যানে স্পষ্ট যে, মেসি-পরবর্তী যুগেও বার্সেলোনার বাণিজ্যিক শক্তি ম্লান হয়নি; বরং আরও বেড়েছে। এর বড় কারণ লামিনে ইয়ামালের উত্থান। আইএন