পাইবাসের আফগানিস্তানে গিয়ে কাজ করতে অসুবিধা নেই

কম হলেও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) বয়স একেবারে কম নয়। ৩২ বছরে পা দিতে চলেছে তারা। পূর্ণ সদস্যের মর্যাদাই পেয়েছে ৯ বছর হতে চলল। লম্বা এই সময়ে আফগানিস্তান দেশের মাটিতে কোনো ম্যাচ খেলেনি।দেশের মাটিতে খেলতে হয়নি বিধায় কোচদেরও আফগানিস্তানে আসতে হয়নি। তারা হোমভেন্যু হিসেবে কখনও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কখনও ভারতকে ব্যবহার করেছে। জনাথন ট্রট ও তার পূর্বসূরীরা কাজ করেছেন আফগানিস্তানের বাইরে থেকেই। তবে ট্রট পরবর্তী সময়ে এসিবি ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কদিন আগে আফগানিস্তান ট্রটের জায়গায় নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশের সাবেক কোচ রিচার্ড পাইবাসকে। পাইবাস ২০১২ সালে স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশের কোচ ছিলেন। তার সামনে শুধু আফগানিস্তানের বাইরে থেকে কাজ করার সুযোগ নেই। এসিবি বিষয়টি চুক্তিতে উল্লেখ করে দিয়েছিল।এসিবির প্রধান নির্বাহী নাসিব খান এ ব্যাপারে বলেছিলেন, ‘আমরা (হেড কোচ ও অন্যান্য বিদেশি কোচদের) চুক্তিতে উল্লেখ করেছি যে তাদের দায়িত্বস্থল হবে আফগানিস্তান। আমরা চাই জাতীয় দলের কোচরা আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। আর যখন কোনো সিরিজ নির্ধারিত থাকবে না, তখন তারা জাতীয় দলের দুর্বল দিকগুলো উন্নত করার কাজে মনোযোগ দেবেন।’আরও পড়ুন: ইংল্যান্ড ম্যাচের পরই কেন দেশে ফিরছেন ম্যাট হেনরিরাজনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠলেও পাইবাস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আফগানিস্তানে দায়িত্ব নিতে তার কোনো আপত্তি নেই। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানে গিয়ে কাজ করা নিয়ে আমার কোনো দ্বিধা নেই। আমার এতে কোনো সমস্যা নেই। আমি বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় থেকেছি, তাই এখানে কাজ করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছি।’ দেশের বিভিন্ন প্রদেশে গিয়ে প্রতিভা খুঁজে বের করার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক উত্থানকেও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন পাইবাস। তার ভাষায়, গত কয়েকটি বিশ্বকাপে দলটি দেখিয়েছে, তারা এখন বিশ্বের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে, এমনকি হারাতেও পারে। ‘এখানকার প্রতিভা অসাধারণ’।