প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় বমি হলে কি রোজা ভেঙে যায়? উত্তর: রোজা অবস্থায় কেউ যদি ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করতে হবে। তবে রোজা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃত অল্প বা বেশি বমি হলে রোজা ভাঙবে না, কাজাও আদায় করতে হবে না। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অনিচ্ছাকৃত বমি হলে তার কাজা আদায় করতে হবে না। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত বমি করে সে যেন কাজা আদায় করে নেয় (অর্থাৎ তার রোজা ভেঙে যাবে)। (সুনানে তিরমিজি: ৭২০) আমাদের দেশে অনেকের ভুল ধারণা আছে যে রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভেঙে যাবে এবং তার কাজা করতে হবে। অনিচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি হওয়ার পর এ ধারণার কারণে রোজা ভেঙে গেছে মনে করে যদি ইচ্ছাকৃত কিছু খেয়ে ফেলে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা ওয়াজিব হবে, কাফফারা ওয়াজিব হবে না। কাজা অর্থ একটি রোজার বদলে পরবর্তীতে আরেকটি রোজা রাখা আর কাফফারা আদায় করার তিনটি পদ্ধতি রয়েছে ১. একটি দাসমুক্ত করা, ২. ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা ভালোভাবে তৃপ্তিসহকারে আহার করানো ৩. ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজা রাখা। কেউ যদি ইচ্ছা করে রমজান মাসের দিনের বেলা যৌনমিলন করে অথবা পানাহার করে, তবে তার রোজা ভেঙে যায়। কাজা করতে হয়, কাফফারাও দিতে হয়। ওএফএফ