পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বাস্তবায়নে দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। বিগত সময়ের কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্পর্কে মানুষের খারাপ ধারণা তৈরি হয়েছে। সেই ধারণা পালটাতে বিশেষ করে খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভার দুলাল তলী বাধ এলাকার খাল পুর্নখননের কার্যক্রমের পরিদর্শনে গিয়ে তিনি একথা বলেন। এ সময় ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আমাদের পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্পর্কে মানুষের একটা খারাপ ধারণা আছে। সে অবস্থা দূর করে আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন করে ফিরিয়ে আনবো। পানি উন্নয়ন বোর্ডের যে টেন্ডারগুলো হয়, যে নদী-খাল আর জলাশয় খনন হয় তখন দেখা যায় বর্ষার সময়। সে সময় নদীতে আমরা আমাদের ব্লকেজগুলো ফেলি, যেগুলো আসলে কোনো আমাদের কাজে আসে না। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বলতে চাই পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করবে বিশেষ করে নদী, খাল, জলাশয় খননের ক্ষেত্রে ছয় থেকে সাত মাস। সেটা ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল অথবা মে পর্যন্ত। এর মধ্য দিয়ে আমরা কাজ সম্পন্ন করবো। বর্ষাকালে আমাদের জরুরি কোনো বিষয় ছাড়া কোনো জায়গায় এই নদী খনন বা খাল খনন বা জলাশয় খননে এবং কোথাও কোনো ব্লক ফেলবো না। আরও পড়ুন: মাদারীপুরে মরা খাল খননের উদ্যোগ, তিন ফসল ঘরে তোলার আশা কাজেই আমি আশা বিশ্বাস করি আমাদের মন্ত্রণালয়ে যে পরিকল্পনা নিয়েছি, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো। শুধু বাস্তবায়ন করা না, পরবর্তীতে যারা আবার সরকারে আসবেন তারাও যেন সুবাতাস পায় এটার জন্য সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৮০ সালে আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার যে খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করেছিলেন আজকে পরিদর্শনে এসে আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই খালটি ভরাট হয়ে আছে। এখন আর সেই খালের জায়গায় খাল নেই। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে নির্বাচনী ইশতেহার ছিল খাল ও নদী খননের এবং আমরা বিশ হাজার কিলোমিটারের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আরও পড়ুন: অপরিকল্পিত খাল খননে সড়কে ধস, জনদুর্ভোগ এ সময় পরিদর্শনে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মন, বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম মালিকসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।