ইরানে যে পথে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে যৌথভাবে হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‍ও ইসরাইল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ হামলার কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের বিভিন্ন স্থানে একযোগে হামলা শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সামনে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলা হয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনেও। তবে তারা নিরাপদ স্থানে রয়েছেন বলে খবরে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন: ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা: যে পদক্ষেপ নিলো ইরাকইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও অক্ষত রয়েছেন।এদিকে ইরানে হামলার পর আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল। সব ধরনের বেসামরিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। খবর টাইমস অব ইসরাইলের। আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান অক্ষত আছেন: রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমদেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনসাধারণকে বিমানবন্দরে না আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিদেশে থাকা যাত্রীদের আকাশসীমা পুনরায় চালু হওয়ার পরে ফ্লাইটের সময়সূচি সম্পর্কে মিডিয়া এবং তাদের বিমান সংস্থার মাধ্যমে আপডেট থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।এতে আরও বলা হয়েছে, বিদেশে থাকা ইসরাইলিদের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নির্দেশাবলী এবং সুপারিশ অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূল হলে, আকাশসীমা পুনরায় চালু করা হবে এবং ইসরাইলে আসা এবং যাওয়ার ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে। নতুন ফ্লাইটের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।