ইসরাইল ইরানে যে হামলা শুরু করেছে তার নাম দেয়া হয়েছে ‘লায়ন’স রোর’। এই নামটি ঠিক করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।আর ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এই হামলার নাম দিয়েছে ‘শিল্ড অব যুদাহ’ যেটাকে হিব্রুতে ‘মাজেন ইয়েহুদা’ বলা হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানকে লক্ষ্য করে আইডিএফ যে অভিযান চালিয়েছিল, তার নাম ছিল ‘রাইজিং লায়ন’। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে হামলা শুরু করেছে ইসরাইল। সঙ্গে যোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ এ অভিযানে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ ৩০টিরও বেশি স্থান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হেনেছে। রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠতে দেখা গেছে। আরও পড়ুন: ইরানে হামলার পর আকাশসীমা বন্ধ করল ইসরাইল, সব বেসামরিক ফ্লাইট বাতিল প্রেসিডেন্টের ভবন কমপ্লেক্সও লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে ইরানি সূত্র জানিয়েছে। হামলার পর এক বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ বলেছেন, আগাম বা প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে থাকা হুমকি দূর করতে ইসরাইল আগাম হামলা চালিয়েছে।’ ক্যাটজ আরও জানান, এই অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালনা করা হয়েছে। এদিকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরাইল সারাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাবনা মাথায় রেখে বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে, যাতে জনগণ সতর্ক থাকতে পারে। আরও পড়ুন: ইরানে যৌথ হামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এছাড়া শিক্ষা কার্যক্রম, জনসমাগম এবং অপ্রয়োজনীয় কর্মস্থলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তবে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।