ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পাল্টা জবাবে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটিসমূহে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যে কারণে সৃষ্ট ফ্লাইট বিঘ্নের মধ্যে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের দেশে ফেরাতে বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞ ৮ মার্চ শেষ হবে। ২০ দলের টুর্নামেন্টে স্বাগতিক ভারতসহ আর মাত্র পাঁচটি দল টিকে আছে।আইসিসির এক মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের ইভেন্টের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির নিরাপত্তা ও কল্যাণই আইসিসির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা ইতোমধ্যে আমাদের ভ্রমণ, লজিস্টিকস ও নিরাপত্তা টিমকে সক্রিয় করেছি এবং দিন-রাত কাজ করছি যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই ন্যূনতম বিঘ্নে নিরাপদে নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারেন।’তিনি আরও বলেন, ‘যেসব সমর্থক ইতোমধ্যে ভ্রমণ করেছেন বা ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের অনুরোধ করছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের আগে সব বিষয় বিবেচনা করতে।’ আরও পড়ুন: জিতেও বাদ পড়লো পাকিস্তানআইসিসি স্বীকার করেছে যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খেলোয়াড়, টিম ম্যানেজমেন্ট, ম্যাচ অফিসিয়াল, সম্প্রচারকর্মী ও ইভেন্ট স্টাফ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিমানবন্দর—বিশেষ করে দুবাইকে নিজ নিজ দেশে ফেরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেন।এই প্রেক্ষাপটে আইসিসি জানায়, তাদের ‘ট্রাভেল অ্যান্ড লজিস্টিকস’ টিম প্রধান আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন হাবের মাধ্যমে বিকল্প রুট নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আইসিসির নিরাপত্তা পরামর্শকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেবেন। পাশাপাশি একটি বিশেষ আইসিসি ট্রাভেল সাপোর্ট ডেস্কও চালু করা হয়েছে।’ আরও পড়ুন: ফখর-ফারহানের রেকর্ড জুটিতে বড় সংগ্রহ পাকিস্তানেরআইসিসি জানিয়েছে, পরিস্থিতির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তারা নিয়মিত আপডেট দেবে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘মসৃণ ও নিরাপদ সমাপ্তি’ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণকে ১৯৭৯ সাল থেকে দেশটি শাসন করে আসা ইসলামিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।