ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে কয়েকটি দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি।সংবাদ সংস্থাটির খবরে বলা হয়েছে, যেসব ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তার মধ্যে মধ্যে কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদরদফতর রয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাহরাইন, কাতারের দোহার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে যে রাজধানী আবুধাবিতে একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে। বিবিসির আরবি বিভাগ জানিয়েছে, তেহরানে খামেনির সদরদপ্তর ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আরও পড়ুন: ইরান-ইসরাইল সংঘাত লাইভ: ইরানে শিক্ষার্থীসহ নিহত ২০১ জন এর আগে ইরানের হামলা চালানোর তথ্য জানায় ইসরাইল। তারা এটিকে পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ বলে উল্লেখ করে। আজ সকালে এক বিবৃতিতে, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইসরায়েলজুড়ে বিশেষ এবং স্থায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।এরপরপরই ইসরাইল ও ইরান তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করে। চরম উত্তেজনার মধ্যে ফের পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে ইরান ও ইসরাইল। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলকে লক্ষ্য করে মিসাইলের নতুন ব্যারেজ নিক্ষেপ করেছে ইরান। এরআগে ইসরাইলের পক্ষ থেকে জানানো হয় ইরানের মিসাইল লঞ্চার লক্ষ্য করে তারা নতুন করে হামলা শুরু করেছে। শনিবার সকালে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো ও ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে। ওই সময় ইসরাইলেও হামলা চালায় তারা।