খামেনি নিহতে হয়েছেন, নিশ্চিত করল ইরানি গণমাধ্যম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে। রোববারি (১ মার্চ) দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ তাসনিম ও ফার্স সংবাদ সংস্থা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মারা গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দাবি নাকচ করেছিল তেহরান। তবে এর কয়েক ঘণ্টা পর দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় সময় শনিবার ভোরেই খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। এদিকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’ আরও পড়ুন: খামেনি নিহত হয়েছেন, ট্রুথ সোশ্যালে দাবি ট্রাম্পের ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’ তিনি যোগ করেন, ‘যেমন আমি গত রাতে বলেছি, “এখন তারা নিরাপত্তা পেতে পারে, পরে তারা শুধু মৃত্যুই পাবে!” আশা করা যায়, আইআরজিসি ও পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে ইরানি দেশপ্রেমিকদের সঙ্গে একীভূত হবে এবং একসঙ্গে কাজ করে দেশকে তার প্রাপ্য মহত্ত্বে ফিরিয়ে আনবে। আরও পড়ুন: ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে আগেই সমর্থন দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ! ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করছে গেছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরানের এই সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। এর আগে এনবিসি নিউজকে ফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে খামেনির নিহত হওয়ার প্রতিবেদনটি ঠিক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। তবে, ইরান ট্রাম্পের এই দাবি অস্বীকার করেছে। এই প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হওয়া উচিত, কারণ শুধু খামেনির মৃত্যুই নয়, দেশটি মাত্র এক দিনে ব্যাপকভাবে ধ্বংস এবং এমনকি প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে ভারী ও নির্ভুল বোমা হামলা চলবে, সপ্তাহজুড়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে অথবা যতদিন না মধ্যপ্রাচ্য এবং প্রকৃতপক্ষে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জিত হয়।’