৪ ভুলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ আজ ব্যক্তিগত আলাপ থেকে শুরু করে অফিসের কাজ সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ এই অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন। কিন্তু কিছু অসতর্ক আচরণের কারণে হঠাৎ করেই আপনার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকেই সতর্ক থাকা জরুরি। আসুন জেনে নেওয়া যাক যে ৪ ভুলে স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট- ১. আনঅফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহারঅনেকেই বাড়তি ফিচারের লোভে ‘জিবিহোয়াটসঅ্যাপ’ বা ‘হোয়াটসঅ্যাপপ্লাস’-এর মতো তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করেন। কিন্তু এগুলো অফিসিয়াল নীতিমালার বাইরে। ফলে প্রথমে সাময়িক সাসপেনশন, পরে স্থায়ী ব্যানের ঝুঁকি তৈরি হয়। নিরাপদ থাকতে সবসময় গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে অফিসিয়াল অ্যাপই ব্যবহার করা উচিত। ২. স্প্যাম বা বাল্ক মেসেজ পাঠানোএকসঙ্গে অনেককে প্রচারমূলক বা স্বয়ংক্রিয় বার্তা পাঠালে সেটি স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। বিশেষ করে অপরিচিত নম্বরে বারবার মেসেজ গেলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। প্ল্যাটফর্মটির অ্যালগরিদম এ ধরনের আচরণ দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম। ফলাফল অ্যাকাউন্ট লক কিংবা ব্যান। ৩. বেআইনি বা ক্ষতিকর কনটেন্ট শেয়ারম্যালওয়্যার, ভুয়া তথ্য, অবৈধ ফাইল বা আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো গুরুতর নিয়মভঙ্গের মধ্যে পড়ে। কেউ রিপোর্ট করলেই কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে। একাধিক অভিযোগ পেলে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ৪. অসৌজন্যমূলক আচরণহুমকি, অপমানজনক ভাষা, ঘৃণামূলক বক্তব্য বা কাউকে বারবার বিরক্ত করা এসব আচরণও বিপজ্জনক। অন্য ব্যবহারকারীরা অভিযোগ জানালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একাধিক রিপোর্ট জমা হলে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরও পড়ুনঅন্য কেউ আপনার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে না তো?হোয়াটসঅ্যাপে এখন মেসেজ শিডিউল করতে পারবেন সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া কেএসকে