কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন নৌঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের আঘাতে ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। রোববার (১ মার্চ) এই দাবি করে তারা।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর তেহরান মধ্যপ্রাচ্যজেুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও ইসরাইলে পাল্টা হামলা চালায়। আইআরজিসি জানায়, কুয়েতের আবদুল্লাহ মুবারক এলাকায় অবস্থিত আমেরিকান নৌঘাঁটিতে চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১২টি ড্রোন হামলা চালানো হয়। আরও বলা হয়, এতে অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত ও আহত হয়েছেন। আরও পড়ুন:ইরান-ইসরাইল সংঘাত লাইভ: কাতার ও ইসরাইলে নতুন করে দফায় দফায় বিস্ফোরণভারতে ইরানি দূতাবাসের পোস্ট করা বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, আমেরিকান জাহাজের জন্য গোলাবারুদ বহনকারী একটি এমএসপি জাহাজ জেবেল আলী নোঙ্গরে চারটি ড্রোনের আঘাতের মুখে পড়ে এবং সম্পূর্ণরূপে অক্ষম হয়ে যায়। আমেরিকান জাহাজের জন্য জ্বালানি বহনকারী একটি এমএসটি -শ্রেণীর যুদ্ধ সহায়তা জাহাজে ইরানি কদর ৩৮০ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানে।এদিকে, ইরানের বর্ণিত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে কুয়েত সরকার বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এর আগে বলেছিল যে, একটি ড্রোন প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, এতে বেশ কয়েকজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে যে আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে হামলার ফলে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন। আরও পড়ুন:কাতার ও ইসরাইলে নতুন করে দফায় দফায় বিস্ফোরণঅন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং আইআরএনএ জানায়, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি তার তেহরানের কার্যালয়ে যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যু ইরানের রাজনীতিতে এক ভয়াবহ মুহূর্ত এবং এই অঞ্চলে আরও গভীর অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস