রমজান ইবাদতের বসন্তকাল। এ সময়ে দান-সদকার বহু ফজিলত। দানকে ফরজ করে বিধান চালু হয় হিজরতের পর। একে বলা হয় জাকাত। এটি ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।জাকাত ফরজ হওয়ার আগে দান করার অর্থে জাকাত দেওয়ার নির্দেশ নাজিল হয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, নামাজ কায়েম করো জাকাত প্রদান করো। জাকাত ও সাদকায়ে ফিতরের নেসাবে পার্থক্য ১. জাকাতের নেসাবের জন্য স্বর্ণ, রূপা, নগদ টাকা ও ব্যবসায়িক মালামাল হওয়া শর্ত। কিন্তু সদকাতুল ফিতরের জন্য এগুলো শর্ত নয়। বরং আবশ্যকীয় প্রয়োজন ও ঋণ অতিরিক্ত যে কোনো সম্পদ নেসাব পরিমাণ হলে সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব।( লামায়াতুত তানকিহ: ৪/২৮১) আরও পড়ুন: যেসব কারণে রোজা ভাঙে না২. জাকাতের মধ্যে নেসাব পরিমাণ সম্পদের ওপর এক বছর অতিবাহিত হওয়া শর্ত, কিন্তু সদকাতুল ফিতরের মধ্যে এটি শর্ত নয়। বরং শুধু ঈদুল ফিতরের দিনে সুবহে সাদেকের সময় নেসাবের মালিক থাকলেই ফিতরা ওয়াজিব হবে। (মারাকিউল ফালাহ:৫৯৫) মাসয়ালা: সামর্থবান হলে রোজা রাখতে না পারলেও সদকাতুল ফিতর ওয়াজিব। তাই রোজা না রাখলে বা না রাখতে পারলে সামর্থ্যবান হলে তার উপরও সদকাতুল ফিতর দেয়া ওয়াজিব। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/১৯২ )