নরসিংদীর ওবায়দুল্লাহর খণ্ডিত দেহের রহস্য উন্মোচন, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

অনৈতিক প্রস্তাব ও কথা কাটাকাটির জেরে রাগ আর ক্ষোভ থেকে চাপাতি দিয়ে নরসিংদীর শিবপুরের মো. ওবায়দুল্লাহকে তারই রুমমেট শাহীন নৃশংসভাবে হত্যা করে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় শাহীনকে গ্রেফতারের পর রোববার (১ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশীদ। রাজধানীতে খণ্ডিত দেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটন নিয়ে ব্রিফ করছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশীদ। ছবি: সময় সংবাদ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে খণ্ডিত হাত ও পা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তদন্তে জানা যায়, খণ্ডিত অংশগুলো নরসিংদীর ওবায়দুল্লাহর মরদেহের। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওবায়দুল্লার রুমমেট শাহীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরেই স্পষ্ট হয়, হত্যাকাণ্ডের নৃশংসতা। শাহীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ছবি: সময় সংবাদ আরও পড়ুন: নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা: সাত আসামির ৮ দিনের রিমান্ড ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জানান, কথা কাটাকাটির জেরে চাপাতি দিয়ে মো. ওবায়দুল্লাহকে খুন করেন তারই রুমমেট শাহীন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ওবায়দুল্লাহকে খুনের পর তার দেহ সাত টুকরা করেন শাহীন। পরে ঠান্ডা মাথায় মরদেহ গুম করতে নিজের সাইকেলে করে টুকরাগুলো পলিথিনে মুড়িয়ে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেন তিনি। আরও পড়ুন: দাদি-নাতনিকে হত্যার ঘটনায় কয়েকজন আটক, চলছে জিজ্ঞাসাবাদ হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি ও শাহীনের বাইসাইকেল জব্দ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন হারুন-অর-রশীদ।