রমজান সওয়াব অর্জনের ভরা বসন্ত। ইসলামের অন্যতম বিধান রোজা এ মাসে পালিত হয়। ধনী-গরিব সবার জন্যই এ বিধান। রোজা শুধু নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উম্মতের উপরই ফরজ নয়; বরং এটি সূচনা হয় অনেক পূর্ব থেকেই, পূর্ববর্তী উম্মতের ওপরও ফরজ করা হয়েছিল।একজন জানতে চেয়েছেন, বিমানে থাকলে ইফতার ও সেহরি করার পদ্ধতি কী? এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, পশ্চিমদিকে প্লেনে সফর শুরু করার কারণে যদি সময় বেড়ে যায়, তাহলে সুবহে সাদিক থেকে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র্সূযাস্ত হলে; র্সূযাস্ত পর্যন্ত ইফতার বিলম্ব করবে। আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও র্সূযাস্ত না ঘটলে ২৪ ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার সামান্য কিছু পূর্বে ইফতার করে নিবে। (আহসানুল ফতোয়া ৪/৭১ পূর্বদিকে প্লেনে সফর করলে যখনই র্সূযাস্ত হবে তখনই ইফতার করে নিবে। কারণ রোজার শেষ সময় র্সূযাস্ত পর্যন্ত। (আহকামে জন্দিগেী ২৪৮) আরও পড়ুন: ফিতরা কার ওপর ওয়াজিব রমজানে রোজাদারকে ইফতার করানো হলো, মুমিনের বিশেষ আমল। এ বিশেষ আমলের বিনিময়ে মহান আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। এ ছাড়াও রয়েছে অনেক ফজিলত। অন্য রোজাদারকে ইফতার করানো নেকি বৃদ্ধির আমল ও পাপ মোচনের আমল হিসেবে ঘোষণা করেছেন নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে, হজরত যায়েদ ইবনে জুহানি রা. বর্ণনা করেছেন, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করালো, তারও রোজাদারের ন্যায় সওয়াব হবে; তবে রোজাদারের সওয়াব বিন্দুমাত্র কমানো হবে না। (তিরমিজি ৮০৭)