সৌদি আরবে আটকে পড়া মুশফিক কবে দেশে ফিরবেন জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ওই অঞ্চলের সব গন্তব্যে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এছাড়া অন্যান্য দেশের এয়ারলাইন্সও তাদের সেবা বন্ধ রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের জেদ্দায় আটকা পড়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম।সৌদি আরবে ওমরা করতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুবাই হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল তার। আর ঠিক সেদিনই ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। যার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রওনা দিয়েও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবার জেদ্দায় ফিরে যেতে হয়েছে মুশফিককে।জাতীয় দলের এই তারকার সঙ্গে সেখানে আরও অনেক বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন। তবে কবে নাগাদ তারা দেশে ফিরতে পারবেন, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।তবে আপাতত সুখবর জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। মুশফিকের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আমিনুল জানিয়েছেন, আগামীকালই (সোমবার) দেশে ফিরতে পারেন জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়ক। আরও পড়ুন: নির্বাচক চেয়ে বিসিবির বিজ্ঞপ্তিক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা মনিটর করছি। ইতোমধ্যে আমার সাথে মুশফিকুর রহিমের কথাও হয়েছে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের সাথে কথা হয়েছে। আশা করছি একটা ফিরতি ফ্লাইটে আগামীকাল সকালেই দেশে ফিরতে পারবে মুশফিক। এখনো পর্যন্ত মুশফিক ভালো আছে, সুস্থ আছে।’দেশে ফেরা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে গতকাল (শনিবার) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন মুশফিক। তিনি লিখেছিলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। কয়েক দিন আগে আমি ওমরাহ হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় এসেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, হজের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছি এবং আজ দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। আজ সকালে আমরা জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে এমিরেটসের ইকে ০৮০৬ ফ্লাইটে রওনা দিই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটটি আবার জেদ্দায় ফিরে আসে।’সাবেক এই অধিনায়ক আরও লিখেন, ‘এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে আছি। এখানে আমার সঙ্গে হাজারো যাত্রী আটকে আছেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহই জানেন কবে এবং কীভাবে আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য গন্তব্যে যেতে পারবো, বিশেষ করে ঢাকাগামী বাংলাদেশি যাত্রীরা।’