খামেনির মৃত্যুতে ‘মর্মাহত’ এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর শুনে তিনি ‘গভীরভাবে মর্মাহত’ হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) এক্সে দেয়া পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। গত শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি।ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে এরদোয়ান দেশটির জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের হামলা ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে এবং তা ইরানি জনগণের শান্তিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এদিকে ইরানে হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। এর মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সদরদফতর ধ্বংস করেছে। ইরানে সামরিক আগ্রাসনের দ্বিতীয় দিন রোববার (১ মার্চ) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানায়, ‘আমেরিকার সামরিক শক্তি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আইআরজিসির আর কোনো সদরদফতর নেই।’ আরও পড়ুন: ইসরাইলি-মার্কিন হামলায় সাত ইরানি সামরিক কমান্ডার নিহত  আরও বলা হয়, গত ৪৭ বছরে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর এক হাজারের বেশি আমেরিকানকে হত্যা করেছে। দাবি করা হয়েছে, ‘গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের বড় পরিসরের হামলা সাপের মাথা কেটে দিয়েছে।’ এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, তেহরানের উত্তর দিকে অবস্থিত গান্ধী হাসপাতাল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ‘তেহরানের গান্ধী হাসপাতাল জায়োনিস্ট-আমেরিকান বিমান হামলার শিকার হয়েছে।’ ফার্স ও মিজানসহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে হাসপাতালের ভেতরে মাটিতে পড়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ ও খালি হুইলচেয়ার পড়ে থাকার মতো দৃশ্য দেখা গেছে, যা ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন হিসেবে ফুটে ওঠেছে। আরও পড়ুন: পশ্চিম ইরানে হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৩ সদস্য নিহত ইরানের রাজধানী তেহরানে আরও দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে আবাসিক ভবনের জানালা কেঁপে উঠেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার রাত প্রায় ৯টার সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। একই সময় ইরানি রাষ্ট্রীয় টিভি এই আক্রমণের কথা জানিয়েছে। যদিও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু তখন পর্যন্ত স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।