যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির দরজা এখনও খোলা আছে: ওমান

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের ‘দরজা এখনও খোলা আছে’। ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক আগ্রাসনের মধ্যে আজ সোমবার (২ মার্চ) এ কথা বলেছেন তিনি।পরমাণু ইস্যুতে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতাকারী বদর আল বুসাইদি এক্স-এ এক বার্তায় লিখেছেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই – কূটনীতির দরজা এখনও খোলা আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেনেভার আলোচনা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক অভূতপূর্ব চুক্তির দিকে প্রকৃত অগ্রগতি দেখিয়েছে। যুদ্ধ এড়ানোর আশা থাকলেও যুদ্ধের কারণে শান্তির আশা নিঃশেষ হয় না। আমি এখনও বিশ্বাস করি, কূটনীতি এই সংঘাত সমাধান করতে পারে।’ এর আগে গদ রোরবার (১ মার্চ) সকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আল বুসাইদি। এ ব্যাপারে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদিকে জানিয়েছেন যে, তেহরান ‘উত্তেজনা প্রশমনে যেকোনো প্রচেষ্টার’ জন্য প্রস্তুত। আরও পড়ুন: হোয়াইট হাউস / ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত ট্রাম্প এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নেতারা তার সঙ্গে আলোচনা করতে চান এবং তিনিও আলোচনা করতে রাজি হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিককে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায়, এবং আমি কথা বলার জন্য রাজি হয়েছি, তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তারা আগে করতে পারত। যা করা খুবই বাস্তবসম্মত ও সহজ ছিল, তা তারা আগে করতে পারত। তারা খুব দেরি করেছে।’ আলোচনা আজ হবে নাকি আগামীকাল এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি তা বলতে পারব না।’ তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আলোচনায় যুক্ত অনেক ইরানি এখন আর জীবিত নন। তার কথায়, ‘যারা আমরা আগে কাজ করছিলাম, তাদের বেশির ভাগ চলে গেছে। এটি একটি বড়—একটি বড় আঘাত ছিল।’ আরও পড়ুন: ইরানে আমিরাতের দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা, রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার এরপর হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তুত আছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারেও একই কথা বলেছেন যে, খামেনি-পরবর্তী ইরানি নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে।