লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ৫৩টি গ্রাম ও শহরের বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।সোমবার (২ মার্চ) সকালে ইসরাইলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা ও ইসরাইলি বাহিনী পাল্টা হামলার মধ্যে এ নির্দেশ দেয়া হয়। খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে বলা গয়, ফিলিস্তিনের গাজায় নির্বিচারে হামলা চালানোর আগে ইসরাইল এভাবে বাসিন্দাদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। লেবাননেও বিস্তৃত এলাকার জন্য এমন সতর্কবার্তা দিল দেশটি। এক সতর্কবার্তায় ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আপনাদের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত আপনাদের বাড়িঘর ছেড়ে গ্রাম থেকে কমপক্ষে ১ হাজারমিটার দূরে খোলা জায়গায় সরে যেতে হবে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, হিজবুল্লাহ সদস্যদের স্থাপনা বা সামরিক সম্পদের কাছাকাছি থাকলে যে কেউ জীবনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বেন।উত্তর ইসরাইলে রকেট ও ড্রোন হামলার পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালানোর মধ্যেই বাড়িঘর ছাড়ার এ সতর্কবার্তা দিলো ইসরাইল। এর আগে এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, লেবানন ও তার জনগণকে রক্ষা এবং ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাব হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহত রাখা এবং আমাদের নেতা ও যুবকদের হত্যার পাল্টা জবাব দেয়ার অধিকার আমাদের আছে। উপযুক্ত সময়ে ও স্থানে আমরা সেই জবাব দেব। ইরানে হামলায় মাত্র ২৭ শতাংশ মার্কিনির সমর্থন! (১০ টা ৩১ মিনিট, ২ মার্চ)যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। এই হামলাকে প্রতি চারজন মার্কিন নাগরিকের মাত্র একজন সমর্থন করেন। স্থানীয় সময় রোববার (১ মার্চ) শেষ হওয়া রয়টার্স/ইপসোসের এক জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।জরিপে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক মার্কিন নাগরিক মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামরিকশক্তি ব্যবহারে অতিউৎসাহী। রিপাবলিকানদের প্রতি চারজনের একজনও তাই মনে করেন। জরিপে অংশ নেয়া ২৭ শতাংশ উত্তরদাতা এই হামলার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বিপরীতে ৪৩ শতাংশ এর বিরোধিতা করেছেন। ২৯ শতাংশ এ বিষয়ে কী মত দেবেন, তা নিয়ে নিশ্চিত নন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জন উত্তরদাতা বলেছেন, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে শুরু হওয়া হামলা সম্পর্কে তারা অন্তত কিছুটা হলেও শুনেছেন। আর প্রায় ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ এগিয়ে নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহী।পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন-তেহরান পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হামলা শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণ ঘটে। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কিছু কমান্ডার নিহত হন।হামলার পরপরই ইরান পাল্টা জবাব দেয়। ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী কাজ করে এমন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। এতে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, ওমান ও সৌদি আরবে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায় এবং কোথাও কোথাও হতাহতের খবরও আসে।