পরমাণু ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরুর জন্য ইরান চাপ প্রয়োগ করেছে, মার্কিন গণমাধ্যমের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে এ দাবি করেন লারিজানি। তিনি বলেন, ‘আমরা আমেরিকার সাথে আলোচনা করব না।’ এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল দাবি করেছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি হত্যার পর আলী লারিজানি ওমানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ফের পরমাণু আলোচনার জন্য চাপ প্রয়োগ করেছে। তবে এই খবর প্রকাশের পর লারিজানি তা প্রত্যাখ্যান করে এই বিবৃতি দিলেন। এদিকে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের ‘দরজা এখনও খোলা আছে’। আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন, পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘকে ইরানের চিঠি ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক আগ্রাসনের মধ্যে সোমবার (২ মার্চ) তিনি আরও বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই – কূটনীতির দরজা এখনও খোলা আছে।’ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জেনেভার আলোচনা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক অভূতপূর্ব চুক্তির দিকে প্রকৃত অগ্রগতি দেখিয়েছে। যুদ্ধ এড়ানোর আশা থাকলেও যুদ্ধের কারণে শান্তির আশা নিঃশেষ হয় না। আমি এখনও বিশ্বাস করি, কূটনীতি এই সংঘাত সমাধান করতে পারে।’ আরও পড়ুন: ড্রোন হামলায় যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নেতারা তার সঙ্গে আলোচনা করতে চান এবং তিনিও আলোচনা করতে রাজি হয়েছেন। স্থানীয় সময় রোববার (১ মার্চ) সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিককে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায়, এবং আমি কথা বলার জন্য রাজি হয়েছি, তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তারা আগে করতে পারত। যা করা খুবই বাস্তবসম্মত ও সহজ ছিল, তা তারা আগে করতে পারত। তারা খুব দেরি করেছে।’